বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ-এর প্রতিনিধি এখন ঢাকায়। গত সোমবার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। এই আলোচনা ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে। মূলত ঋণের শর্ত নিয়েই এ আলোচনা। ঋণ পেতে হলে তাদের শর্ত মানতে হবে। ইতিমধ্যে গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। বলা হচ্ছে আইএমএফের শর্ত মানতেই সরকারকে এই নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
বাস্তব হলো আইএমএফের ঋণটা বাংলাদেশের জন্য জরুরি। কারণ, বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার ঠিক রাখতে স্বল্প সুদে আইএমএফের ঋণের বিকল্প এই মুহূর্তে নেই। ইতিমধ্যে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার ঋণ ছাড় করেছে আইএমএফ। আগামী সাড়ে তিন বছরে সাত কিস্তিতে ঋণের বাকি অর্থ দেবে। পত্রপত্রিকার খবরে বলা হচ্ছে, বিদ্যুতের দাম আরেক দফা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি চায় আইএমএফ। যেকোনো মূল্যে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সর্বনিম্ন পর্যায়ে আনার জন্য চাপ বাড়িয়েই যাচ্ছে তারা। পাশাপাশি জুনের মধ্যে রিজার্ভ ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলার দেখতে চায় তারা।
এই ঋণ তো গ্রামের বন্ধকী কারবার বা ব্যাংকে কিছু মর্টগেজ রেখে টাকা নেওয়ার মতো বিষয় নয়। তা না হলেও ‘বন্ধকী জিনিসে’র মতো সমস্যা পীড়িত দেশগুলোর জন্য তিরের মতো ছুটে আসে আইএমএফের কঠিন শর্তাবলী। এসব কঠিন শর্ত, ঋণের কিস্তি ঠিক সময়ে দেওয়ার ব্যাপারে টালবাহানা এই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানটিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। একটা ছোট্ট উদাহরণ দিই। লন্ডনের বিখ্যাত সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট তাদের সম্পাদকীয়তে লিখছে, করোনা মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর সমস্যায় পড়া দেশগুলোকে আইএমএফ অতিরিক্ত এক ট্রিলিয়ন বা এক লাখ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এখন পর্যন্ত দিয়েছে কত জানেন? ৫১ বিলিয়ন বা ৫ হাজার ১০০ কোটি ডলার। যা প্রতিশ্রুতির বিপরীতে একেবারেই তুচ্ছ। এর সাথে বোঝার ওপর শাকের আাঁটির মতো জুটেছে একেক দেশের জন্য একেক নিয়ম।
এটাও একটা উদারণ দিলে পরিষ্কার হবে। ঋণের কিস্তি পাওয়ার শর্ত হিসেবে বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা বা সুরিনামকে যে চাপ সহ্য করতে হচ্ছে, সেই একই চাপ নিতে হচ্ছে না মিসর বা পাকিস্তানকে। কারণ দেশ দুটি দীর্ঘ দিন ধরে আমেরিকার ‘কৌশলগত’ বন্ধু। যেমন আইএমএফের শর্ত হিসেবে পাকিস্তানের সেলস ট্যাক্স বা বিক্রয় কর ব্যবস্থার সংস্কারের কাজ ঝুলে আছে সেই ১৯৯৭ সাল থেকে। কিন্তু তাতে দেশটির আইএমএফের সাথে ঋণ নিয়ে আলোচনায় বিশেষ কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস
আর ঋণের অর্থ ছাড়ের ব্যাপারে আইএমএফও ক্রমশ নানামুখী বাস্তব অসুবিধার মধ্যে রয়েছে। ১৯০টি দেশ এই সংস্থার সদস্য, অথচ পুরো মাতব্বরিটা আমেরিকা ও তার পশ্চিম ইউরোপের মিত্র দেশগুলোর হাতে। এই মাতব্বরি এতদিন চলেছে। কারণ, বাদবাকি দুনিয়া উঠত-বসত আমেরিকার কথায়। একদিকে আমেরিকার যেমন সেই সুদিনও নেই, তেমনি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে চীনের আত্মপ্রকাশ একটা বড় ঘটনা, যা গোটা হিসাবটাকে বদলে দিচ্ছে। আমেরিকা ও পশ্চিমা মিত্রদের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন যা করতে পারেনি চীন তা করে দেখানোর সাহস দেখাচ্ছে। করতে পারবে কি, পারবে না সেটা সময় বলে দেবে। কিন্তু পরিবর্তনের একটি আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। যদিও যুক্তরাজ্যের সাবেক অর্থমন্ত্রী জিম ও’নিল প্রজেক্ট সিন্ডিকেটে প্রকাশিত তাঁর কলামে লিখেছেন, ‘যতক্ষণ না ব্রিকস এবং সম্ভাব্য ব্রিকস-প্লাসভুক্ত দেশগুলো তাদের নিজস্ব সঞ্চয়ের জন্য ডলারের একটি বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প খুঁজে না পাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ডলারের আধিপত্য নিঃসন্দেহে বহাল থাকছে’। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক আধিপত্য নিয়ে আমেরিকা-চীন ক্যাচাল চলতে থাকুক, তার আগে আমরা একটু দেখে নিই আইএমএফের জন্মের বিষয়টি।
১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে আমেরিকার নিউ হ্যাম্পশায়ারের ক্যারোল শহরের ব্রেটন উডস এলাকায় মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে জন্ম হয়েছিল আইএমএফ বা আন্তর্জতিক মুদ্রা তহবিলের। ওই বৈঠকে ৪৪টি সহযোগী দেশের ৭৩০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ১-২২ জুলাই পর্যন্ত চলে আলোচনা। তারপর তাঁরা একমত হন। এভাবেই জন্ম সংস্থাটির। তবে সহযোগী দেশের তালিকাটা দেখলে আপনার ভিমরি খাওয়ার আশঙ্কা আছে। ব্রেটন উডসে চলা মিটিংয়ে জাপান ও জার্মানিও উপস্থিত ছিল। অথচ তখন এই দুই দেশের সাথে পশ্চিম ইউরোপ, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকার নেতৃত্বে মিত্র জোট ভয়ংকর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নামের সেই মহাযুদ্ধে তখন তছনছ হয়ে যাচ্ছে ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকার বিরাট অংশ। অথচ সেই একই সময়ে বিশ্ব পুঁজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শত্রু-মিত্র দেশগুলোর প্রতিনিধিরা গলাগলি করে একমত হয়েছেন। ভাগ্যিস সেলুকাস তখন বেঁচে ছিলেন না! তাহলে হয়তো বিস্ময়ে প্রাণটাই যেত বেচারার।
ব্রেটন উডস চুক্তির প্রধান বৈশিষ্টই ছিল বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম হিসেবে মার্কিন ডলারকে মেনে নেওয়া। আর এই ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ হওয়ার কথা ছিল সোনার দামের সাথে তাল মিলিয়ে। এই ব্যবস্থা দীর্ঘ ২৭ বছর চলার পর ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট আমেরিকা একতরফাভাবে সোনার দামের সাথে সংগতি রেখে ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণের ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসে। কিন্তু বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে মার্কিন ডলার থেকেই যায়। কোনো ইউরোপীয় মুদ্রা সে জায়গা নিতে পারেনি। এমনকি অভিন্ন ইউরোপের মুদ্রা ইউরো সম্ভবনা জাগিয়ে মিলিয়ে গেছে।
এখন এই ডলারের পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে। সেই ব্যবস্থা এখনো চলছে।
এখানেই বারবার ঘুরেফিরে আসছে চীনের নাম। শি জিন পিং-কে আজীবনের জন্য প্রেসিডেন্ট পদে রাখার সিদ্ধান্ত চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লবের চেয়ে বড় ঘটনা মনে করেন অনেকে। তাঁর স্বপ্নের নিউ সিল্ক রুট বা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় বিভিন্ন দেশকে ঋণ দেওয়া শুরু করেছে চীন। তাদের ঋণের প্রধান বিনিয়োগই যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশের বন্দর, মহাসড়ক, বিমানবন্দর ইত্যাদি অবকাঠামো খাতে। আইএমএফের সুদের হার যেখানে ২ শতাংশ সেখানে চীনা ঋণের সুদহার ৫ শতাংশ। তারপরও তাহলে দেশগুলো এ ঋণ নিচ্ছে কেন?
এখানেই আসছে ৭৯ বছরের ‘বয়স্ক’ আইএমএফের স্থবিরতা, অন্যদিকে চীনের আগ্রাসনের বিষয়টি। চীন সুদহারের ব্যাপারে যতটা আগ্রাসী, শর্তের ব্যাপারে ঠিক ততটাই আপসকামী। তার আইএমএফের মতো শর্ত নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই। ফলে জনগণের কাছে ভালো থাকতে চাওয়া দেশগুলোর জন্য চীনের কাছে যাওয়া সহজ।
যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়াম অ্যান্ড ম্যারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করে নিউইয়র্ক টাইমস জানাচ্ছে, ২০২১ সালে বিভিন্ন দেশকে আইএমএফের দেওয়া মোট ঋণের পরিমাণ ৬৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। সেখানে ওই বছর চীন ঋণ দিয়েছে ৪০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। অথচ ২০১০ সালে চীনের এ ধরনের ঋণের খাতাই ছিল শূন্য। বিশ্বের ধনী দেশগুলোর আর্থিক ক্লাব আইএমএফের সম্পদ বা ঋণ দেওয়ার ক্ষমতার কাছাকাছিও দেশ হিসেবে চীন নেই, এটা সত্য। কিন্তু দেশটির আধিপত্য বাড়ছে এটা অস্বীকারের জো নেই।
বিষয়টি চীনের শক্তিমান নীতিনির্ধারকেরা জানেন। এ জন্য ঋণ দেওয়ার সময় দুটি ব্যাপারে খেয়াল রাখছে দেশটি। এক. ঋণগ্রহিতা দেশটির ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান ও গুরুত্ব। দুই. দেশটির তেল-গ্যাস ও অন্যান্য খনিজের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ। যে কারণে চীন ঋণ দেওয়ার তালিকায় সবার ওপরে রেখেছে পাকিস্তানকে। আছে তুরস্ক, শ্রীলঙ্কা, আর্জেন্টিনা, ভেনিজুয়েলা। আছে আফ্রিকার একাধিক দেশ। এর সাথে চীনের পছন্দের তালিকায় আরেকটি বিষয় আছে, তা হলো ‘কঠোর’ শাসক, ঠিক যেন তারই মতো।
নিউইয়র্ক টাইমস-এর আরেকটি তথ্য দেখুন। তারা বলছে, মহাসড়ক, সেতু, বিদ্যুৎ প্রকল্প ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৫১টি স্বল্প আয়ের দেশে ৯০০ বিলিয়ন বা ৯০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে চীন।
মার্কিন কর্মকর্তারা একে ‘চীনা ঋণের ফাঁদ’ বলে বর্ণনা করলেও তাতে চিঁড়ে ভিজছে না। কারণ, আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংককে দিয়ে এতদিন তাঁরা যে ব্যুহ তৈরি করেছিলেন, তা ভেদ করার মতো শক্তি তৈরি হয়ে গেছে। একদিকে শর্ত শক্ত করেছেন, অন্যদিকে আমেরিকার ফেডারেল ব্যাংক বা ফেড বহুদিন আগেই নিজের দেওয়া সুদহার ৪.৮ শতাংশ করে রেখেছে. যা এখনকার চীনের সুদহারের খুব কাছে। ফেড সম্প্রতি এর স্বল্পমেয়াদি ঋণের সুদহার ১ শতাংশ করেছে, তাও শুধু শিল্পোন্নত দেশের জন্য। ফলে মধ্য আয়ের দেশের নজর চীনের দিকে ঘুরে যাচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক, হার্ভাড কেনেডি স্কুল, কিয়েল ইনস্টিটিউট ফর ওয়ার্ল্ড ইকোনমি ও এইড-ডাটার গবেষকদের মত হলো, ১৯৮০-এর দশকে লাতিন আমেরিকাজুড়ে চলা ঋণ সংকটের সময় আমেরিকা যেভাবে দেশগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছিল, ঠিক সেটাকেই এখন অনুসরণ করছে চীন। ফলে চীনা ঋণের ফাঁদ যদি এখন তৈরি হয়েও থাকে, তাহলে অনেক আগেই আমেরিকান ঋণের ফাঁদ পাতা হয়েছিল। সে কারণে চীনকে আজ যারা অভিযুক্ত করছেন তাদের কথার পেছনে যুক্তির চেয়ে গলার জোরটাই বেশি শোনা যাচ্ছে।
চীনা ঋণ নিয়ে পশ্চিমাদের হয়েছে আরেক বিপদ। কারণ, এই ঋণ সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা যায় না, আপাদমস্তক গোপন। চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো কিছু প্রকাশ করে না। ফলে যে দেশ ঋণ নেয়, সেও বিব্রত হওয়ার হাত থেকে বাঁচে। আর পশ্চিমা শক্তিধরেরা থাকে অন্ধকারে। অন্যদিকে আইএমএফের থিয়োরি বা পথ পুরো উল্টো। ফলে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলোর জন্য চীনের দিকে ঝুঁকে পড়াটা স্বাভাবিক।
রেনমিবির নাম অনেকেই শুনেছেন, চীনা মুদ্রার সরকারি নাম। এই রেনমিবি-কে কীভাবে ডলারের বিকল্প হিসেবে গড়ে তোলা যায়, সেই পরিকল্পনা রয়েছে চীনা নেতৃত্বের। উইলিয়াম অ্যান্ড ম্যারি ইউনিভার্সিটির গবেষণা প্রতিষ্ঠান এইড ডাটার নির্বাহী পরিচালক ব্রাড পার্কস বলছেন, মঙ্গোলিয়া এক সময় তার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ডলারেই রাখত। এখন সে জায়গা নিয়ে নিচ্ছে রেনমিবি। এখন চীনের ঘনিষ্ট দেশগুলো যদি মঙ্গোলিয়াকে অনুসরণ করা শুরু করে, তাহলেই নতুন খেলা শুরু হতে পারে। কারণ, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং রেনমিবি-কে আন্তর্জাতিক লেনদেনের মুদ্রা হিসেবে ব্যবহারের জন্য আরও বেশি বেশি দেশকে রাজি করানোর ব্যাপারে একমত হয়েছেন বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে।
এদিকে চীনের এই কাতারে কিন্তু আরেক খেলোয়াড় যুক্ত হয়েছে। সৌদি আরব। দেশটির অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী দোহায় জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে বলেছেন, তাঁর দেশ এশিয়া ও আফ্রিকার স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে ৮০ কোটি ডলার দিয়েছে। তেলের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে দেশটির হাতে এখন প্রচুর অর্থ। দেশটির ডি ফ্যাক্টো প্রধান মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি নীতিতে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে চাইছেন। আর পাকিস্তান, মিসরসহ বিভিন্ন দেশের আর্থিক সংকটে সৌদি সাহায্য পাওয়াটা নতুন কিছু নয়। এখন পরিসরটা বাড়তে চলেছে মাত্র।
এখন এই বাজারে আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংক ও এদের চালনাকারীরা কী পথ নেবেন, সেটাই দেখার। তাদের শর্তের ফাঁসে যদি দেশগুলো হাঁসফাঁস করতে থাকে, তাহলে তারা একপর্যায়ে চীনের মতো বন্ধুর কাছে যাবেই। কেউ আটকাতে পারবে না।
লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিটাল মিডিয়া, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন