নজিরবিহীন নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে তারেক রহমানকে। বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনা মঞ্চে যান বুলেটপ্রুফ বাসে চড়ে। বহরে ছিল ১৪টি বিশেষ গাড়ি। চারপাশ ঘিরে রাখে সেনা ও অন্যান্য নিরাপত্তাবাহিনী। রেড, ইয়েলো ও হোয়াইট জোনে ভাগ করে সাজানো হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সরকারের সহায়তায় খুশি নেতা-কর্মীরা।
বুলেটপ্রুফ বাসে বিমানবন্দর থেকে বের হন তারেক রহমান। ভেতরে দাঁড়িয়ে, হাত নাড়িয়ে নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাসের জবাব দেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রত্যাবর্তনে নেওয়া হয় তিন স্তরের নিরাপত্তা। বাসের চারপাশে ছিল ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনী (সিএসএফ), সেনাবাহিনী, বিজিবি ও গোয়েন্দা। দ্বিতীয় স্তরে ছিল র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার।
এক্সপ্রেসওয়ে, বনানী ও উত্তরায় ছিল কঠোর নিরাপত্তা। রাজধানী জুড়েই ছিল সেনাবাহিনীর টহল।
নেতা-কর্মীরা বলছেন, ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার হেঁটে এসেছেন। পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তারা।
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর বলেন, ‘গুলশান, ডিপ্লোম্যাটিক জোন ও এভারকেয়ার হাসপাতালের আশপাশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ।’
এ ছাড়া বড়দিন উপলক্ষে রাজধানীতে আলাদা তল্লাশি চৌকি বসিয়েছে র্যাব ও পুলিশ।