বাংলাদেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে গুরুত্ব পেয়েছে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর। তাঁকে আসন্ন নির্বাচনের শীর্ষ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে শিরোনাম করেছে বিবিসি ও রয়টার্স। এ ছাড়া তাঁর দেশে ফেরার খবর প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা, এএফপি, এনডিটিভি, ডনসহ আরও অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি তাঁর দেশে ফেরার খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনের শিরোনামে বলা হয়েছে, ভোটের আগে নির্বাসন থেকে ফিরলেন শীর্ষ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত নেতা তারেক রহমান। একই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে আরেক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও।
তারেক রহমানের দেশের ফেরার খবর প্রকাশ করা হয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এবং দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে। আল জাজিরার শিরোনাম ছিল-১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ফিরলেন বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা তারেক রহমান।
এ ছাড়া প্রতিটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেই তাঁর দেশে ফেরায় জনসাধারণের উচ্ছ্বাসের খবর উঠে এসেছে।
এর পাশাপাশি ২০০৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তারেক রহমানের বিষয়ে বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে প্রতিবেদনগুলোতে। উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁর মা বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথাও। তারেক রহমান তাঁর মায়ের থেকে বিএনপির দায়িত্ব বুঝে নেবেন এমন ধারণা করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনগুলোতে উঠে এসেছে।
সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর তাঁর এই প্রত্যাবর্তন দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ ও ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে।