দিনাজপুরের দুই আসনে বিএনপির চ্যালেঞ্জ বিদ্রোহী প্রার্থী

আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু না হলেও নানা কৌশলে প্রচারণা চালাচ্ছেন দিনাজপুরের ছয়টি আসনের প্রার্থীরা। এবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ না থাকায়, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করছেন ভোটারেরা। এ ছাড়া বিদ্রোহীরাও চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থীদের।

১৩টি উপজেলা নিয়ে দিনাজপুর জেলা। সংসদীয় আসন ছয়টি। এ ছয়টি আসনে বিভিন্ন দলের প্রার্থী ৪২ জন। ভোটার রয়েছেন ২৬ লাখ ৬০ হাজার ৭৩৪ জন। নির্বাচন ঘিরে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর আগেই মনোনয়ন বৈধ হওয়া প্রার্থীরা মাঠে, নানা কৌশলে চালাচ্ছেন প্রচারণা।

এর আগে, ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাঁচটি নির্বাচনে দিনাজপুর-১, ২ ও ৪ নম্বর আসনে তিনবার করে জয় পায় আওয়ামী লীগ। দুই বার করে জয়ী হয় দিনাজপুর-৩ ও ৬ আসনে। এ ছাড়া দিনাজপুর-৫ আসনে জয় পায় ৪ বার। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবার নেই। তাই এবার ভোটারদের আলোচনা বেশি বিএনপিকে ঘিরে। এর পরই আছে জামায়াত। একটি আসনে জাতীয় পার্টিও আলোচনায় আসছে।

তবে ৫ ও ২ নম্বর আসনে বিদ্রোহী থাকায় কিছুটা চাপে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরা। আর ৫ নম্বর আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আব্দুল আহাদকে ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত।

দিনাজপুর-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা আশা করব এখানে কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী থাকবে না। ছয়টি নির্বাচনী আসনেই ধানের শীষের অবস্থান অত্যন্ত সুসংহত।’

দিনাজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী প্রাথী) আ.ন.ম বজলুর রশিদ বলেন, ‘জনগণ যেন তাঁদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারে, এ উদ্দেশেই আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি।’

দিনাজপুর-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সকল জনশক্তি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব আমরা। এলাকাবাসী মনে করে এ চার উপজেলার উন্নয়ন এবার আমাদের দ্বারাই সম্ভব।’ 

স্থানীয় ভোটারেরা জানান, এবার শুধু মার্কা দেখে ভোট দেওয়ার আগের প্রবণতা থেকে বের হয়ে আসতে চান তাঁরা। এবার প্রার্থীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতাও বিবেচনায় রাখবেন তাঁরা।