নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়েছে শরীয়তপুরের তিনটি আসনে। পদ্মা-মেঘনাবেষ্টিত জেলার ভোটারদের চাওয়া নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধান। জনগনের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে চান প্রার্থীরাও। ভোটের মাঠে সক্রিয় বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা।
পদ্মা ও মেঘনা নদীবেষ্টিত জেলা শরীয়তপুর। বছরের পর বছর নদী ভাঙনে বিপর্যস্ত এখানকার মানুষ। বর্ষা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে তীব্র নদী ভাঙনের শিকার হন জাজিরা, নড়িয়া, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট উপজেলার বাসিন্দারা।
গত ১০ বছরে নদী ভাঙনের শিকার হয়ে মাথা গোজার ঠাঁই হারিয়েছেন সাড়ে ছয় হাজার পরিবার। দীর্ঘদিন ধরেই নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধান চান জেলার তিনটি আসনের ভোটারেরা।
স্থানীয়রা বলছেন, নদী ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়েই শরীয়তপুরের মানুষের জীবনযাত্রা চলমান। এলাকাবাসী এখন এটির স্থায়ী সমাধান চায়।
শরীয়তপুর-৩ আসনে তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদের সঙ্গে লড়বেন জামায়াতের আজাহারুল ইসলাম। এ ছাড়াও বাকি দুটি আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি প্রার্থী ও জামায়াতের মধ্যে।
বিএনপি প্রার্থী মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু জানান, শরীয়তপুরের মানুষের মূল প্রত্যাশা নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধান। বিএনপি নির্বাচিত হলে এ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শরীয়তপুর-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল বলেন, ‘নদী ভাঙন আমাদের জনগণের জন্য একটি বড় সমস্যা। নির্বাচিত হলে আমার দায়িত্ব হবে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে নদী ভাঙন রোধে নদী শাসনে জোর দেওয়া।’
শরীয়তপুর-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সফিকুর রহমান কিরণ বলেন, ‘আমি নতুন স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করি, স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পছন্দ করি। স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আমি প্রমাণ করব, আমি অনেকের চেয়ে আলাদা।’
জেলার তিনটি আসনে মোট ভোটার ১১ লাখ ৫০ হাজার ৬০০। নারী ভোটার ৫ লাখ ৫৩ হাজার ২০৬ জন। পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৩৮০ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ১৪ জন।