লক্ষ্মীপুরে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চারটি আসনেই চ্যালেঞ্জ দিতে চায় জামায়াতে ইসলামী। আর বড় দুই দলের সঙ্গে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রস্তুত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীও। তবে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে সতর্ক এলাকাবাসী। আর নির্বিঘ্ন ভোট আয়োজনে সক্ষমতার প্রমাণ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন।
লক্ষ্মীপুরে চারটি সংসদীয় আসন ঘিরে বিভিন্ন দলের প্রার্থী-কর্মী-সমর্থকদের প্রচারে সরগরম পুরো জেলা। এ চারটি আসনে ২৯ প্রার্থী। জেলায় মোট ভোটার ১৬ লাখ ৩৭ হাজার ৯৫৬ জন। শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে ভোটের আমেজ।
তবে আলোচনার কেন্দ্রে লক্ষ্মীপুর-৩ সদর আসন। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চারটি নির্বাচনে জয় পায় বিএনপি। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের একতরফা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দখলে নিলেও এবার সুষ্ঠু ভোটে জয়ের আশা দুইবারের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘তারেক রহমান দেশের নেতৃত্বে এলে, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে আমি নির্বাচিত হলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।’
সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. রেজাউল করিমের। অনেক জায়গায় দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তাঁর। তিনি বলেন, ‘অনেক জায়গায় এখনও বিএনপির পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা এ নিয়ে অনেক অভিযোগ জানিয়েছি, আমাদের বিশ্বাস প্রশাসন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
ভোটের লড়াইয়ে বড় দুই দলকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চায় ইসলামী আন্দোলন। হাতপাখাকেই বেছে নেবে এলাকাবাসী, আশা প্রার্থী ইব্রাহিম হোসেনের।
এদিকে প্রচারের প্রথম দিনেই ব্যানার টাঙ্গানো নিয়ে সদরে জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি হামলায় আহত হন পাঁচজন। সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত এলাকা গঠনে যোগ্য প্রার্থী ভোটারেরা। আর অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।
লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ জানান, নির্বাচনী মাঠে বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীসহ অন্যান্য প্রার্থীরা প্রচারে রয়েছেন। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হচ্ছে।