শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনে ১ লাখ ১ হাজার ৩৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৫৯টি। এছাড়াও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল-আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৪৯৯টি। ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছে ১৯১৩৪০ জন ভোটার। যা মোট ভোটারের প্রায় ৪২.৫৭ শতাংশ। নির্বাচনের পর ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কর্মকর্তা। বিপুল ভোটে ধানের শীষকে বিজয়ী করায় ভোটারদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আগামীতে বগুড়ার উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চান ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী রেজাউল করিম বাদশা।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে। সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
শেরপুর-৩ আসনে বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর মাসুদুর রহমান এবং বাসদের মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা মিলিয়ে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১২৮টি।
বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৫১টি।