দলে ফিরতে চান বিএনপির বিদ্রোহীরা

আবারও দলে ফিরতে চান বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা। নিজ আসনের কর্মী ও ভোটারদের চাপেই স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেন বলে দাবি তাদের। আজীবন দলের ওপর অটল আস্থা রেখে চলবেন এমন মন্তব্যও করেন তারা। ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে বিএনপি তাদের দলে ফেরাবে বলেও বিশ্বাস করেন বিদ্রোহীরা।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শরিকদের ১৪টি আসন ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি। এর মধ্যে বেশ কিছু আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীও ছিল। দল মনোনয়ন না দেওয়ায় এসব প্রার্থী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করেন। ফলে ৯টি আসন হাতছাড়া হয় বিরোধী জোট এবং বিদ্রোহী প্রার্থীদের কাছে।

পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ছিলেন গণঅধিকারের নুরুল হক নুর। তার বিরুদ্ধে নির্বাচন করেন বিএনপি নেতা হাসান মামুন। দলীয় সিদ্ধান্ত না মানায় বহিষ্কার হতে হয় তাকে। তবে দলের প্রতি তার ত্যাগ, বৃথা যাবে না বলে মনে করেন হাসান মামুন। 

বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন বলেন, আমি বিএনপির কর্মী–সমর্থক। দীর্ঘ ৩৭ বছর দলের সাথে যুক্ত আছি। এই দলই আমাদের শেষ ঠিকানা। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, আনুগত্য ও অঙ্গীকার আছে। আমরা তাদের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করব। 

হাসান মামুনের মতোই বিএনপির বাইরে ঢাকার সাইফুল আলম নীরব ও ঝিনাইদহের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। আবারও ফেরার অপেক্ষায় আছেন তারা।

ঢাকা উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান তৃণমূলে যোগাযোগের কারণেই কিন্তু শেখ হাসিনা দলকে ভাঙতে পারেনি। পার্টির চেয়ারম্যান তূণমূলের নেতা–কর্মীদের অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, এই দলই আমার শেষ ঠিকানা। এ দলের সমর্থক হিসেবে সারাজীবন থাকতে চাই। আমাদের ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে দল ক্ষমা–সুন্দর দৃষ্টিতে দেখে আমাদের ফিরিয়ে নেবে বলে আশা করি।

বহিষ্কৃত নেতাদের দাবি, আদর্শের জায়গা থেকে তারা এখনও বিএনপির। শুধু নিজের পদ নয়, বহিস্কৃত কমীদেরও দলে ফেরাতে চান এই নেতারা।