রাষ্ট্রপতিকে বহাল রেখে মধু খেয়ে, আবার এখন তার বিচার দাবি করা হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান। শুক্রবার রাতে ফেসবুকে নিজের আইডিতে এক পোস্টে এ কথা বলেন।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে উদ্দেশ্য করে রাশেদ খান এ মন্তব্য করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলামরা যদি সংবিধান মেনে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ না নিয়ে বিপ্লবী সরকার গঠন করত, সেক্ষেত্রে দায়মুক্তির প্রসঙ্গ আসতো না। এবং সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকত।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, কিন্তু সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে তাকে একপ্রকার ক্ষমা করে দিয়ে নতুনভাবে বৈধতা দিয়েছিলো নাহিদ ইসলামদের পরামর্শে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আপনি কাউকে ক্ষমা করে দিয়ে ও একপ্রকার নতুনভাবে মূল্যায়ন করে, আবার তার বিচার দাবি করতে পারেন না।
নাহিদ ইসলাম ও তার সহকর্মীদের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও মনে করেন রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, বরং নাহিদ ইসলামদের ভুলের জন্য তাদেরই উচিত জাতির কাছে ভুল স্বীকার করে দুঃখপ্রকাশ করা। তারা এখন জনগণকে আইওয়াশ করতে রাষ্ট্রপতির বিচার দাবি করছে। কিন্তু এই বিচার কেন তাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে করেনি? সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে বহাল রেখে মধু খেয়ে, আবার এখন তার বিচার দাবি করা হাস্যকর!