হবিগঞ্জে ঘোষিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখোমুখি হন জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রায় এক ঘণ্টা পুলিশ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার পর ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেয় তাদের গাড়িবহর।
পরে হবিগঞ্জের রশিদপুর এলাকায় কয়েকটি গাড়ি সড়কে আড়াআড়িভাবে রেখে এনসিপির বহরের গতি রোধ করা হয়।
বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জে দল ঘোষিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে রওনা হন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, ড. আতিক মুজাহিদ, মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
যাত্রার আগে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করতেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু আমাদের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।”
সারজিস আরও অভিযোগ করেন, সরকারি দলের সংসদ সদস্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ছাত্রদলকে ব্যবহার করে তাদের কর্মসূচি প্রতিহতের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিএনপি বা প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার হবিগঞ্জে হামলার ঘটনার পর এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা পুলিশি নিরাপত্তায় মৌলভীবাজার হয়ে সিলেটে চলে যান। পরে বুধবার দুপুরে আবার মৌলভীবাজারে ফিরে বিকেলে হবিগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
পথে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা ভাস্কর্যের সামনে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়ে এনসিপির গাড়িবহর। প্রায় এক ঘণ্টা আলোচনা ও বাকবিতণ্ডার পর নেতাকর্মীরা ব্যারিকেড অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যান।
এনসিপির মৌলভীবাজার জেলা সমন্বয়ক খালেদ হাসান ইনডিপেনডেন্ট ডিজিটালকে জানান, মৌলভীবাজার থেকে শায়েস্তাগঞ্জ পর্যন্ত অন্তত ৪টি স্থানে আমাদের গাড়িবহর পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার সম্মুখীন হয়েছে। সেগুলি আমরা অতিক্রম করে বর্তমানে রশিদপুর এলাকা পার হয়ে ফিনলে চা বাগানের পাহাড়ি এলাকায় আটকে আছি। সামনে একটি বাস রাস্তায় রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে।