স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ‘নেতৃত্ব শুধু প্রশিক্ষণের বিষয় নয়; নেতৃত্বের মূল দায়িত্ব হলো দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। তরুণদের এই দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে।’
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে, ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারস গ্রাজুয়েশন সেরিমনিতে’ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ড. মঈন খান বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়াই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথচলা দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা ও পরবর্তী সময়ের নানা রাজনৈতিক আন্দোলন—প্রতিটি পর্যায়েই তরুণরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য তরুণদের নেতৃত্বে দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান নতুন বাংলাদেশ গড়ার একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে। জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে নেতৃত্ব চেনার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সচেতনতা, জনগণের প্রতি অঙ্গীকার ও জবাবদিহি গুরুত্বপূর্ণ।’
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। তরুণদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়লেই নতুন নেতৃত্ব তৈরি হবে।’