আগামী বছর জাতীয় নির্বাচন। এর আগে চলতি বছরই ফেসবুক–ইউটিউবকে সতর্ক করে দিল ভারত সরকার। গতকাল শুক্রবার ফেসবুক–ইউটিউবের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানানো হয়েছে।
দুটি সূত্রের বরাতে রয়টার্স বলছে, ভুয়া তথ্য ছড়ালে আইন অনুযায়ী কী শাস্তি হতে পারে, তা ইউজারদের নিয়মিত জানাতে এসব সামাজিক মাধ্যমকে বলেছে ভারত সরকার।
রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ভারত সরকারের প্রতিনিধিদের নেতৃত্ব দেন তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী রাজিব চন্দ্রশেখর। এ সময় তিনি বলেন, শিশু ও অন্যান্য ব্যক্তিদের জন্য সামাজিক মাধ্যমে যে নিয়ম সরকার করেছে, তা এখনো অনেক প্রতিষ্ঠান মানছে না।
এমন এক সময়ে এই বৈঠক হলো, যখন ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। এসব কনটেন্টে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে বলে সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী দাবি করেছেন।
তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী রাজিব চন্দ্রশেখর বলেন, এ নিয়ে ইউজারদের বারবার সতর্ক করা উচিত। আর সেই কাজটা সামাজিক এসব মাধ্যমকেই করতে হবে। সময়ে সময়ে মনে করিয়ে দেবে। তা না করলে এ ব্যাপারে সরকারি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী রাজিব চন্দ্রশেখর ও ফেসবুক–ইউটিউবের হর্তাকর্তারা। তবে বেশ কয়েকদিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমের বিভিন্ন কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে মোদি সরকার।