মাস্ট উইন ম্যাচে আজ শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি বাংলাদেশ

রোববারের ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ না শ্রীলঙ্কা? দুই দলের জন্যই বাঁচা মরার লড়াই। অলিখিত সেমিফাইনালে সাকিব ফেরায় বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে টাইগাররা। অন্যদিকে সাকিবকে নিয়ে বাড়তি প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে শ্রীলঙ্কাও। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

২৭ জানুয়ারি ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে চোটে পড়েছিলেন। ঠিক ৪৮ দিন পর মাঠে ফিরতে যাচ্ছেন সাকিব। প্রতিপক্ষ একই কিন্তু সমীকরণ ভিন্ন।

ভারত ফাইনাল নিশ্চিত করেছে, প্রতিপক্ষ হতে লড়বে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। দুদলেরই একটি করে জয়। ফাইনালের টিকিট পেতে জয়ের বিকল্প নেই কারোরই।

বাংলাদেশের হেডকোচ কোর্টনি ওয়ালশ বলেন, বেশ কিছু জায়গা আছে, আমাদের উন্নতি করতে হবে, বিশেষ করে বোলিংয়ে। কিন্তু রাতারাতি উন্নতি আশা করা উচিত হবে না। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বোলাররা জ্বলে উঠলে, দলের জন্য ভালো হবে

শ্রীলঙ্কার হেডকোচ চান্ডিকা হাথুরুসিংহা বলেন, তাদের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে আমরা অনেক ম্যাচ খেলেছি। সুতরাং বাংলাদেশ নিয়ে আমরা ভীত নই। ম্যাচের দিন যারা ভালো খেলবে তারাই জিতবে।

মাস্ট উইন ম্যাচে টাইগাররা পাচ্ছে দলের সাকিবকে। এতেই গেম প্ল্যানে আসবে পরিবর্তন। সাকিবকে জায়গা দিতে বাদ পড়তে হতে পারে মিরাজকে। টাইগাররা যখন আত্মবিশ্বাসী তখন প্রতিপক্ষ ভাবনায়। সাকিব থাকা মানে, মনস্তাত্ত্বিক একটা চাপ থাকবে।

বাংলাদেশের হেডকোচ কোর্টনি ওয়ালশ বলেন, আর যে কোনো ক্রিকেটারের মতোই পর্যালোচনা করতে হবে ওর অবস্থা। দেখতে হবে যে খেলার মত যথেষ্ট ফিট কিনা। যদি ফিট থাকে তাহলে ওর মত একজন ক্রিকেটারকে বিবেচনা করতেই হবে। ওকে দেখার পরই আমরা বলতে পারব খেলতে পারবে কিনা।

শ্রীলঙ্কার হেডকোচ চান্ডিকা হাথুরুসিংহা বলেন,দুদলের মধ্যে এমন কিছু জানার আর বাকি নেই যা দিয়ে কেউ মনস্তাত্ত্বিক খেলা খেলবে বা ট্রাম্প কার্ড ব্যবহার করতে পারবে! যা বলতে পারি যদি সাকিব অর্ধেক ফিটও হয় তাহলে এটা তাদের ডেস্পারেট অ্যাটেম্পট।

ভারতের বিপক্ষে চোট পাওয়া কুসাল মেন্ডিস সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ব্যাটিং গভীরতা বাড়াতে দলে আসতে পারেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। বোলিংয়ে অপশন হতে পারেন আমিলা আপনসো কিংবা ইসুরু উদানা।