১৩ বছর পর সাকিব-মুশফিককে ছাড়া টেস্টে নামছে বাংলাদেশ। দুই সিনিয়র নেই, একাদশ সাজাতে বেগ পেতে হচ্ছে ম্যানেজমেন্টকে। অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ আস্থা রাখছেন তরুণদের ওপর। বিশ্বাস, ব্যাটসম্যানরা দায়িত্ব নিতে পারলে কঠিন কন্ডিশনেও প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়া সম্ভব। হ্যামিলটনের সেডন পার্কে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু ভোর ৪ টায়।
হ্যামিল্টনের সেডন পার্ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের জন্য পয়া ভেন্যু। এই মাঠেই ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন, ১৫ বিশ্বকাপেও এই মাঠে আছে তার আরও একটি সেঞ্চুরি। কিন্তু ওসব ভেবে অনুপ্রেরণা নেয়ার সময় কোথায়? সাকিব-মুশফিকুরের অনুপস্থিতিতে কিভাবে একাদশ সাজাবেন তা নিয়েই ঘাম ঝরাতে হচ্ছে টাইগারদের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ককে।
বাংলাদেশকে শর্ট বলের ফাঁদে ফেলবে নিউজিল্যান্ড। পরিকল্পনা করে, বল বুঝে সামলতে হবে ওদের। কিন্তু মাঠে গিয়ে তালগোল পাকানো টাইগারদের পুরোনো অভ্যাস। সাকিব-মুশফিকুরকে ছাড়া ফাইট করতে হলে এবারে পুরোনো রোগে আর আক্রান্ত হওয়া যাবে না। সাদমান-লিটন-মিঠুনের মতো তরুণদের সুযোগটা কাজে লাগাতে বললেন অধিনায়ক।
বোলিং ডিপার্টমেন্টওবা স্বস্তি দিচ্ছে কোথায়? স্কোয়াডের চার পেইসারের মধ্যে মুস্তাফিজ ছাড়া আর কারোরই নেই নিউজিল্যান্ডে খেলার অভিজ্ঞতা। অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ইবাদত অবশ্য ২০১৭তেও জাতীয় দলের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড সফর করেছিলেন। ওই সিরিজে মাঠে না নামলেও, এখানের কন্ডিশন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেয়েছেন। এইটুকু অভিজ্ঞতায় নিশ্চিয় নিউজিল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জ জানানোটা সহজ হবে না।
নিজেদের ডেরায় স্বস্তিতে নিউজিল্যান্ড। কোনও ম্যাচ না খেলেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সাউথ আফ্রিকার হারে প্রথমবারের মতো টেস্ট র্যাংকিংয়ের দুইয়ে নিউজিল্যান্ড, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে ওই সিরিজ থেকে অনুপ্রেরণা পেতে পারে টাইগাররাও, সাউথ আফ্রিকাকে তাদের মাটিতে লঙ্কানরা হারাতে পারলে, নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশকে কেন পারবে না?
/এমবি/