ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে থাকবে ফ্ল্যাট উইকেট, দাপট দেখাবে ব্যাটসম্যানরা। বোলিং ইউনিটকে তাই কাজ করতে হবে বুদ্ধি খাটিয়ে। আয়ারল্যান্ডে ট্রাইনেশনের পর টিম টাইগার্সের বোলিং ডিপার্টমেন্টকে নিয়ে স্বস্তি এসেছে। তবে মুস্তাফিজকে নিয়ে দুশ্চিন্তা পুরোপুরি কাটেনি, রাহীর সামর্থ্য নিয়েও সন্দিহান অনেকে। চাম্পাকা রামানায়েকে এই দলের বোলারদের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাই তার বিশ্বাস বিশ্বকাপে আলো ছড়াবেন মুস্তাফিজ-রুবেলরা।
আয়াল্যান্ডে ট্রাইনেশন সিরিজে তামিম-সৌম্য-লিটনরা জানিয়েছে মেগা ইভেন্টের জন্য প্রস্তুত তারা। মাশরাফী-সাইফুদ্দিনরাও নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছেন শতভাগ। কিন্তু টাইগার ম্যানেজমেন্ট পুরোপুরি নির্ভার হতে পারছে না এখনও দুশ্চিন্তা আছে কাটার মাস্টারকে নিয়ে। এক ম্যাচে চার উইকেট নিলেও ধারাবাহিকতার অভাব দেখা গেছে মুস্তাফিজের পারফরমেন্সে।
শুকনো উইকেটে ফিজের স্লোয়ার-কাটার বেশ কার্যকর, কিন্তু ভিন্ন ধরনের উইকেট হলে নিজেই উল্টো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন। সেই স্লোয়ার আর কার্টার ছাড়া নতুন কোনও অস্ত্র এখনও ভান্ডারে যোগ করতে পারেননি ফিজ। বিশ্বকাপের কঠিন চ্যালেঞ্জ ঠিকঠাক নিতে পারবেন তো? এইচপি বোলিং কোচ চাম্পাকার বিশ্বাস, বিশ্বকাপে উজ্জ্বল থাকবে ফিজের পারফরমেন্স।
বিসিবি'র এইচপি ইউনিটের পেস বোলিং কোচ চাম্পাকা রামানায়েকে বলেন, এটা ঠিক মুস্তাফিজ স্লোয়ারে আগের মতো উইকেট পাচ্ছে না। উইকেট যদি শুস্ক না হয় তবে লাইন-লেন্থে বেশি নজর দিতে হবে ওকে। আর ওখানে কোর্টনি ওয়ালশ আছে, সেই ওকে সবচেয়ে ভালো পরামর্শ দিতে পারবে। তবে একটা বিষয় আমি নিশ্চিত এবারে ইংল্যান্ডে উইকেট সবুজ হবে না, আশা করি ওখানে মুস্তাফিজ ভালো করতে পারবে।
নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিলেও, সমালোচকদের মন কাড়তে পারেননি রাহী। চাম্পাকা ভরসা রাখছেন তরুণ পেইসারের উপর। রুবেল-সাইফুদ্দিনকেও নিয়েও অনেক আশা তার।
বিসিবি'র এইচপি ইউনিটের পেস বোলিং কোচ চাম্পাকা রামানায়েকে আরো বলেন, অভিজ্ঞতার হিসেবে মাশরাফীর পরই রুবেল। ও জানে এমন বড় আসরের চাপ কিভাবে নিতে হয়। দারুণ এক বোলার সে, যেকোনও সময় ম্যাচ পরিস্থিত পাল্টে দিতে পারে। সাইফুদ্দিন পরিণত হয়ে উঠছে। সবমিলিয়ে পেইস ডিপার্টমেন্টে ভালো শেইপে আছে। দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই।
ডেথ ওভারে বোলিং নিয়ে এখনও সমস্যা আছে, তবে পুরোনো বলে মাশরাফী নিয়মিত হওয়ায় খুব বেশি দুশ্চিন্তার কারণ দেখছেন না টাইগারদের সাবেক বোলিং কোচ।
/এম-আই/