কয়েকদিন আগেই বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেখানে ডাক পেয়েছিলেন অ্যারন হার্ডি, তানভির সাঙ্ঘাদের মতো নতুন মুখ। ছিলেন তরুণ পেসার নাথান এলিসও। কিন্তু চূড়ান্ত দলে এদের কাউকেই রাখেনি পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। অভিজ্ঞদের ওপর ভরসা রেখেই প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বে ভারতে বিশ্বকাপ ট্রফি পুনরুদ্ধার করতে যাচ্ছে তারা।
টেস্ট দলের অন্যতম প্রধান ব্যাটসম্যান মারনাস লাবুশেন ডাক পাবেন না, আগের স্কোয়াডেই নিশ্চিত হয়েছিলেন সবাই। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং শক্তি বাড়াবেন ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ, ট্রাভিস হেডের মতো তারকারা। অলরাউন্ডার হিসেবে অনুমিতভাবেই মিচেল মার্শ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস ও ক্যামেরন গ্রিন – প্রত্যেকেই আছেন। মূল তিন পেস বোলার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডের পাশাপাশি কে ডাক পাবেন – একটা জল্পনা-কল্পনা ছিলই। চতুর্থ পেসারের সে লড়াইয়ে নাথান এলিসকে হারিয়েছেন শন অ্যাবট। ওদিকে স্পিন আক্রমণে তানভির সাঙ্ঘা নয়, বরং অ্যাশটন অ্যাগার আর অ্যাডাম জাম্পার ওপরেই ভরসা রেখেছে অস্ট্রেলিয়া।
তবে এই স্কোয়াডেও পরিবর্তন আসতে পারে। প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতের বিপক্ষে আটটা ওয়ানডে খেলবে অস্ট্রেলিয়া। হুট করে কোনো খেলোয়াড় চোটসমস্যায় পড়লে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খেলোয়াড় বদলানোর সুযোগ পাচ্ছেন তাঁরা।
১৫ সদস্যের অস্ট্রেলিয়া দল :
প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক)
স্টিভেন স্মিথ
ডেভিড ওয়ার্নার
মিচেল মার্শ
মার্কাস স্টয়নিস
গ্লেন ম্যাক্সওয়েল
মিচেল স্টার্ক
জশ হ্যাজলউড
অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটকিপার)
শন অ্যাবট
অ্যাডাম জাম্পা
জশ ইংলিস (উইকেটকিপার)
অ্যাশটন অ্যাগার
ক্যামেরন গ্রিন
ট্রাভিস হেড