ব্যাটসম্যান জস বাটলারকে নিয়ে প্রশ্ন এখনো ওঠেনি কেন- সেটাই প্রশ্ন। গত মার্চে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ জেতানো একটি ফিফটি। এরপর দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আরেকটি ফিফটি। ব্যস, এরপর থেকেই আর কোনো বড় ইনিংস নেই বাটলারের ইনিংসের।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত শুধু প্রথম ম্যাচেই ভালো শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ৪২ বলে ৪৩ রান করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি, ইংল্যান্ডও তিন শ পেরোতে না পেরে বড় ব্যবধানে হেরেছিল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যর্থ বাটলার।
গতকাল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জেতার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য ছিল ইংল্যান্ড। এমন মহা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও চরম ব্যর্থ বাটলার। ৭ বলে দুই চার ও ১ ছক্কায় ১৫ রান করেছেন। এমন না যে কাল তিনি দুর্দান্ত খেললেই তাঁর দল জিতত। কিন্তু যখন ৪০০ রানের লক্ষ্য পেয়েছে দল, সে ম্যাচে বাটলার কেন ছয়ে নামলেন, সেটা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
৩৮ রানে ৪ উইকেট পড়ার পর নেমেছিলেন বাটলার। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার একটু পরই বিদায়। তবে ব্যাটসম্যান বাটলারের চেয়েও অধিনায়ক বাটলারকে নিয়ে প্রশ্ন বেশি। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রানবন্যা হয়, তবু এই মাঠে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড। অথচ, দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্বলতা রান তাড়া করায়।
গতকাল দল নির্বাচনেও ভুল ছিল ইংল্যান্ডের। ফর্মে না থাকা মার্ক উড ঠিকই দলে ছিলেন, কিন্তু বাদ পড়েছেন ক্রিস ওকস ও স্যাম কারেন। মঈন আলীকে নেওয়া হয়নি কালও। বোলিং আক্রমণে সময়মতো পরিবর্তন আনা হয়নি, ফিল্ডিং সেটআপেও কৌশলী হয়নি ইংল্যান্ড। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
এরপর আবার ব্যাট হাতে ব্যর্থতা। যাঁর নেতৃত্বে খেলবে দল, তাঁরই যদি এই অবস্থা হয় তবে আর ইংল্যান্ড ভালো করবে কীভাবে?