তিনি সবুজ, তিনি নবীন, তিনি এখনো একটু বেশিই কাঁচা  

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বড় হতাশ হতেন। বৃদ্ধদের ঘা মেরে জাগানোর কথা নবীনদের, যারা এখনো তরুণ, যারা সবুজ। ক্যামেরন গ্রিন তো তাই। তরুণ অলরাউন্ডার, তাঁর ওপর ভরসা করে আছে অস্ট্রেলিয়া দল। নামেও আছে গ্রিন, অর্থাৎ সবুজ। বয়সের ভারে ক্লান্ত অস্ট্রেলিয়াকে টানার দায়িত্ব তো তাঁরই ছিল।

কিন্তু গ্রিন সর্বশেষ কবে ভালো করেছেন, সেটা মনে করাই কঠিন হয়ে উঠেছে। সেই অ্যাশেজ থেকেই ফর্মে নেই। ফরম্যাট পরিবর্তন হয়েছে; কিন্তু রান বা উইকেট-কোনোটির দেখাই পাননি। বিশ্বকাপের আগে মোহালিতে ভারতের বিপক্ষে এক ম্যাচে ১০৩ রান দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটিয়েছেন।

ওয়ানডেতে এক বছর ধরে ফিফটি নেই, তবু তাঁকে খেলিয়েছে দলটি। কিন্তু বিশ্বকাপে টান দুই ম্যাচ ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে হতাশ দল তাঁকে বসিয়ে রেখেছিল তিন ম্যাচ। তাঁর বদলি মারকাস স্টয়নিস খুব একটা ভালো করছিলেন না, আর গ্রুপপর্বে এরপর কঠিন সব ম্যাচ বলে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে একটু বাজি খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া।

কাল দারুণ এক মঞ্চ পেয়েছিলেন গ্রিন। ডেভিড ওয়ার্নারের সেঞ্চুরি ও স্টিভ স্মিথ ও মারনাস লাবুশেনের ফিফটিতে ৪০ ওভার শেষে ২৬৮ রান ছিল অস্ট্রেলিয়ার। এই ভিত্তি পেয়ে ৪৪ বলে ১০৬ রান করেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অন্য প্রান্তে ১১ বল খেলে ৮ রান গ্রিনের। এমনকি ম্যাক্সওয়েলকে সঙ্গও দিতে পারেননি। ৪৩তম ওভারে দলকে ২৯০ রানে রেখে চলে গেছেন। পরে ম্যাক্সওয়েলই বাকি ৪৬ বলে দলকে ১০৯ রান এনে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

কিন্তু গ্রিনকে নিয়ে ধরা বাজিতে আবার হেরে গেল অস্ট্রেলিয়া।