আইপিএলে মিচেল স্টার্কের দাম দেখে চোখ ছানাবড়া হওয়ার অবস্থা হয়েছিল অনেকের। ২৪ কোটি ৭৫ লাখ রূপিতে এবার অস্ট্রেলিয়ান বাঁহাতি পেসারকে কিনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
তা ভারতের ব্যাটিং কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের শেয়ারবাজারে লাভের অঙ্ক দেখলে কী বলবেন? আইপিএল নিলাম কদিন আগে হওয়াতেই সেটির তুলনা আসছে, আর তাতে দেখা যাচ্ছে, মাত্র একটি শেয়ারে ৯ মাসে টেন্ডুলকারের যা লাভ হয়েছে, তা আইপিএল নিলামে স্টার্কের দামের চেয়ে বেশি!
ভারতের সংবাদমাধ্যম ডিএনএ ইন্ডিয়া জানাচ্ছে, যে প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে এই লাভ হচ্ছে টেন্ডুলকারের, সে প্রতিষ্ঠানের নাম আজাদ ইঞ্জিনিয়ারিং। প্রতিরক্ষা, আকাশপথ, তেল ও গ্যাস শিল্পে ‘মৌলিক যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক’ প্রতিষ্ঠানগুলোতে মালামাল সরবরাহ করে হায়দরাবাদভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে, গত মার্চে এ প্রতিষ্ঠানে ৫ কোটি রূপি বিনিয়োগ করেছিলেন টেন্ডুলকার।
মাঝে প্রতিষ্ঠানটি বোনাস ঘোষণা করেছে। তাতে শেয়ার ‘ডাইলিউটেড’ হয়ে টেন্ডুলকারের শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ লাখ ৩৮ হাজার ২১০টি। প্রতিটি শেয়ারের গড় দাম দাঁড়ায় ১১৪.১০ রূপি। বিনিয়োগটি ধরে রাখার সিদ্ধান্তই এখন টেন্ডুলকারের সম্পদের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে অনেক।
সম্প্রতি আইপিও ইস্যু করেছে আজাদ ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু প্রাইসই ছিল ৫২৪ রূপি! এই প্রতিষ্ঠানটিই গতকাল ভারতের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। গতকাল এটির মূল্য ছিল ৭২০ রূপি! অর্থাৎ ৯ মাসেই বিনিয়োগের প্রায় ৭ গুণ লাভ করেছেন টেন্ডুলকার!
তাঁর ৫ কোটির বিনিয়োগের মূল্য গতকাল পর্যন্ত ছিল ৩১ কোটি ৫০ লাখ রূপি। লাভ সাড়ে ২৬ কোটি। শুধু টেন্ডুলকারই নন, ভারতের আরেক কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ভিভিএস লক্ষণ, দুই ব্যাডমিন্টন তারকা সাইনা নেওয়াল ও পিভি সিন্ধুও লাভবান হয়েছেন এই শেয়ার থেকে। তাঁরা অবশ্য টেন্ডুলকারের মতো এত লাভ করতে পারেননি। তিনজনই বিনিয়োগ করেছেন ১ কোটি রূপি করে, তবে তাঁদের বিনিয়োগের সময়ে শেয়ারের মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২২৮.১৭ রূপি করে। তাঁদের ১ কোটির বিনিয়োগ এখন দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১৫ লাখ রূপিতে।