সাকিবের অপরাধ করে নিষিদ্ধ আরেক বাঁহাতি স্পিনার

২০১৯ সালে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এর মধ্যে এক বছর ছিল স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়কের অপরাধ ছিল ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংয়ের সম্ভাব্য প্রস্তাব পেয়েও সেটা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে না জানানো। 

শ্রীলঙ্কান বাঁহাতি স্পিনার প্রবীণ জয়াবিক্রমাও প্রায় একই ধরনের অপরাধ করেছেন। দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটকে তথ্য না দেওয়া এবং তাদের তদন্তে বাধা বা দেরি করানোর অপরাধে এক বছর নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি। তবে এর মধ্যে ছয় মাস স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। অর্থাৎ, কার্যত ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন তিনি। 

২৬ বছর বয়সী স্পিনার দুর্নীতিবিরোধী আইনের ২.৪.৭ ধারা ভাঙার কথা স্বীকার করেছেন; যে ধারায় বলা হয়েছে, ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে দ্রুত সেটি আইসিসিকে জানাতে ব্যর্থ হওয়া, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় নথিপত্র গোপন, তথ্য টেম্পারিং ও ধ্বংস করা, যে নথি ও তথ্য দ্বারা সম্ভাব্য দুর্নীতির প্রমাণ দেওয়া যায়। 

আইসিসি বলছে, জয়াবিক্রমার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।

২০২১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক। সে ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কার হয়ে অভিষেকে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েছিলেন। টেস্ট অভিষেকে কোনো বাঁহাতি স্পিনারের সেরা বোলিং রেকর্ডও তাঁর। এর পর আরও চারটি টেস্ট খেলেছেন। মজার ব্যাপার তাঁর ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সংখ্যাও পাঁচটি। সর্বশেষে ২০২২ সালে তাঁকে শ্রীলঙ্কা দলে দেখা গেছে। 

গত আগস্টে জয়াবিক্রমার বিপক্ষে দুর্নীতির অভিযোগ আনে আইসিসি। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ এনেছিল আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিভাগ।