চ্যাম্পিয়নস ট্রফি যত ঘনিয়ে আসছে, ক্রমেই যেন ‘দুর্বল’ হয়ে পড়ছে অস্ট্রেলিয়া! আসন্ন বৈশ্বিক এ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের যে প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছিল অজিরা, সেখান থেকে একের পর এক খেলোয়াড়ের ছিটকে যাওয়ার মিছিল যেন থামছেই না।
মিচেল মার্শ, প্যাট কামিন্স, জস হ্যাজলউড ও মার্কাস স্টয়নিস- ছিটকে যাওয়া খেলোয়াড়ের সংখ্যা আগেই ছিল ৪। এবার সে সংখ্যাটা বাড়িয়ে ৫-এ নিয়ে গেছেন মিচেল স্টার্ক। টুর্নামেন্ট শুরুর সপ্তাহখানেক আগে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে স্কোয়াড থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। অর্থাৎ, পেস আক্রমণের মূল শক্তির কাউকেই আর পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া।
স্টার্কের সরে যাওয়া প্রসঙ্গে দলটির প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি বলেছেন, ‘আমরা মিচের (স্টার্ক) সিদ্ধান্ত বুঝতে পেরেছি এবং সেটাকে সম্মান করি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রতি মিচের অঙ্গীকার ও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে পারফর্ম করাকে ও যেভাবে গুরুত্ব দেয়, সেটাকে সম্মানের চোখেই দেখা হয়। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ওকে না পাওয়াটা অবশ্যই বড় ধাক্কা, কিন্তু অন্য কারও জন্য এটা টুর্নামেন্টে নিজেকে চেনানোর সুযোগও।’
ছিটকে যাওয়া পাঁচজনের পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে জায়গা পেয়েছেন শন অ্যাবট, বেন ডোয়ারশুইস , জ্যাক ফ্রেজার–ম্যাগার্ক, স্পেনসার জনসন ও তানভীর সাংহা। আর এ টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন স্টিভেন স্মিথ।
অস্ট্রেলিয়ার ছিটকে যাওয়ার মিছিল শুরু হয়েছিঠল মিচেল মার্শকে দিয়ে। পিঠের চোটের কারণে দল বাদ পড়েন মার্শ। এরপর গুঞ্জন শুরু হয় কামিন্স ও হ্যাজলউডকে নিয়ে। এ দুজনই সর্বশেষ বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে চোট পেয়েছিলেন। এ দুই পেসারকে নিয়ে গুঞ্জন চলাকালেই আচমকা অবসর নেন স্টয়নিস। এরপর কামিন্স ও হ্যাজলউডের ছিটকে যাওয়ার খবর আসে।
একের পর এক তারকার ছিটকে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া দলে মূল পেসার বলতে গেলে শুধু স্টার্কই ছিলেন। তিনিও নিজের নাম সরিয়ে নিলেন।
মূল খেলোয়াড়দের ছাড়া স্মিথের নেতৃত্বাধীন ‘দুর্বল’ অস্ট্রেলিয়া নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ২২ ফেব্রুয়ারি। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ওই ম্যাচে অজিদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।