ভারতের সিদ্ধান্তটি বিশ্বাসই হচ্ছে না তাঁর

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দলে নেই মূল বোলার জাসপ্রিত বুমরা। এই পেসারকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত মানতেই পারছেন না রাভি শাস্ত্রী। 

সিরিজের আগেই বুমরা বলেছিলেন, তাঁকে অধিনায়ক করার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি রাজি হননি। কারণ, পাঁচটি টেস্ট খেলা সম্ভব হবে না তাঁর পক্ষে। সিরিজের মাঝপথে আপদকালীন অধিনায়ক খোঁজার ঝামেলা সৃষ্টি করতে চান না বলেই অধিনায়ক হননি তিনি। এবং সিরিজের আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এই পেসারের ওপর যেন চাপ না পড়ে তা নিশ্চিত করতে শুধু তিন ম্যাচে খেলানো হবে তাঁকে।

এদিকে বুমরা শুধু দলের সেরা পেসারই নন, যেকোনো কন্ডিশনেই দলের মূল বোলার। এবং প্রথম টেস্ট ভারত হেরে গেলেও শুধু বুমরার সামনে যা একটু অস্বস্তিতে ছিল ইংলিশ ব্যাটিং লাইনআপ। এবং মাত্র এক টেস্ট খেলা বুমরা এখনো পুরোপুরি ফিট।

সিরিজের প্রথম ম্যাচ হেরে বসায়, এজবাস্টন ম্যাচটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচ হেরে বসলে সিরিজে ফেরা খুব কঠিন হবে ভারতের জন্য। সাবেক কোচ রাভি শাস্ত্রী তাই এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের সেরা বোলারকে বসিয়ে রাখার কোনো কারণ দেখছেন না।

স্কাই স্পোর্টসে ধারাভাষ্য দেওয়া শাস্ত্রী বলেছেন, ‘ভারতের সর্বশেষ ম্যাচগুলো যদি দেখেন, তাতে এটা পরিষ্কার, এটা খুব, খুবই গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট ম্যাচ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ হেরেছেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি হেরেছেন। এখানে প্রথম টেস্ট ম্যাচ হেরেছেন এবং আপনাকে জয়ের পথে ফিরতে হবে।’

বুমরাকে বসিয়ে রেখে নিজেদের কাজটা ভারত কেন কঠিন করছে, সেটা মাথায় আসছে না বিশ্বকাপ জয়ী এই ক্রিকেটারের, ‘আপনার হাতে বিশ্বের সেরা ফাস্ট বোলার আছে, আর আপনি সাত দিন বিশ্রামের পরও বসিয়ে রাখছেন। এটা বিশ্বাস করা খুব কঠিন।’ 

লিডস টেস্টেও প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছেন বুমরা। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া সিরিজে দলকে প্রায় একা টানা বুমরা চোটের কারণে শেষ ম্যাচের শেষ ইনিংসে বল করতে পারেননি। এরপর তিন মাসের জন্য ছিটকে যান তিনি। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও খেলতে পারেননি।

ভারত তাই একটু সাবধান বুমরাকে নিয়ে। টসের সময় অধিনায়ক শুবমান গিল বলেছেন, ‘তাঁর চাপ সামলানোর জন্য (বসিয়ে রাখা হয়েছে)। একটা ভালো বিরতি পেয়েছি এবং এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচটি লর্ডসে। আমাদের ধারণা ওখানেই আমরা তাঁর সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারব।’

এজবাস্টনে প্রথম দিনে অধিনায়ক গিলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে ৩১০ রান করেছে ভারত।