২০২৪ সালে দুবাইয়ে ক্রিকেট একাডেমি খুলেছিলেন রোহিত শর্মা। খালিজ টাইমস বলছে, রোহিত শর্মা অ্যাকাডেমি এক বছরের মাথায় এসে বন্ধ হয়ে গেছে। আর্থিক কারণে এই একাডেমি বন্ধ হওয়ায় বিপদে পড়েছে অ্যাকাডেমি কর্মচারী ও ছাত্ররা।
একদিকে খুদে ক্রিকেটাররা তাদের টাকা ফেরত চাইছে, ওদিকে কর্মচারীরা কাঁদছেন বকেয়া বেতনের জন্য।
নিজেদের অ্যাকাডেমির প্রচারের জন্য রোহিত শর্মার সঙ্গে চুক্তি করেছিল ক্রিককিংডম। উদ্দেশ্য ছিল, ভারত অধিনায়ককে ব্যবহার করে সর্বোচ্চ প্রচার আসায় করা, খুদে ক্রিকেটারদের একাডেমিতে যোগ দিতে আগ্রহী করা। সবাই ধরে নিয়েছিল, রোহিত শর্মাই বোধহয় এই একাডেমি চালাবেন।
কিন্তু তাদের হতাশ হতে হয়েছে। খালিজ টাইমসে জিথিল নামে একজন বলেছেন, ‘রোহিত শর্মার নাম দেখে অনেক আশা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। রোহিতকে ঘিরেই পুরো প্রচার চালিয়েছে ওরা। ট্রায়ালেও তার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা ভেবেছিলেন, তার ব্র্যান্ড মানে মানের নিশ্চয়তা।’
কিন্তু গত এপ্রিল-মে মাসে ঝামেলা শুরু হয়। ক্লাস অনিয়মিত হতে শুরু করে। এবং একদিন ক্রিকেটারদের মা-বাবার কাছে বার্তা পাঠানো হয়, একাডেমি বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এদিকে বছরের শুরুতেই পুরো বছরের বেতন দিয়ে রেখেছেন ক্রিকেটাররা। একাডেমি বন্ধ হওয়ার দুই মাস পরও তাদের সে টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। খালিজ টাইমসে এক ভুক্তভোগী বলেছেন, ‘গত ২৮ মে, ক্রিককিংডমের গ্লোবাল অপারেশন এর প্রধান সুশীল শর্মা হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় সবাইকে জানিয়ে দেয় গ্রাসপোর্ট আর এই একাডেমি চালাবে না এবং বাকি মৌসুমের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবে।’
এদিকে অ্যাকাডেমির কোচও বকেয়া বেতন পাননি । সহকারী কোচ তিরান সান্দুন উইজেসুরিয়া বলেছেন, ‘আমার বাসা ভাড়া দেওয়ার টাকা নেই। আমার বাড়িওয়ালা বাসা খালি করে দিতে বলছেন। আমার যাওয়ার জায়গা নেই। গত মে মাস থেকে বেতন পাচ্ছি না। আমি বেশ কয়েকবার অনুরোধ করেছি, কিন্তু মিথ্যা প্রতিশ্রুতিই শুধু দেওয়া হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি রোহিত শর্মা।