অস্ট্রেলিয়ার কনোলি দেখালেন কীভাবে টি-টোয়েন্টি জিততে হয় 

ওয়ানডেতে দাপট দেখালেও টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করতে নেমে আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যস্ত ছিল তাওহীদ হৃদয়রা। সফরকারীদের মাত্র ১৩২ রানের লক্ষ্য দিয়ে বোলারদের আশায় থাকাটা খুব একটা কাজে আসেনি। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ১০ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয়।  

১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে জস ইংলিস ও মিচেল মার্শকে ফিরিয়ে শরীফুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান আশা জাগিয়েছিল। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারালেও কুপার কনোলি ও টিম ডেভিডের ব্যাটে মাঝ ওভারে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ম্যাচ এক তরফা করে ফেলে অজিরা। 

২৭ বলে ৪৭ রান করে কনোলি ফিরে গেলেও ডেভিডের ২০ ও লিখিল চৌধুরীর ১৮ রানের ইনিংসে ১৯তম ওভারে ৪ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের হয়ে ২টি উইকেট নেন অভিষিক্ত আবদুল গাফফার সাকলাইন।   

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরুটা ভালো করলেও দ্রুত ফিরেছেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে স্পেনসার জনসনের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে বড় শট খেলতে গিয়ে এক্সট্রা কাভারে ক্যাচ দিয়ে বসেন ৯ বলে ১০ রান করা তামিম। দলীয় ২৬ রানে প্রথম উইকেট হারানো বাংলাদেশ পাওয়ার প্লেতে আরেক ওপেনার সাইফ হাসানকেও হারায়। 

ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ম্যাট রেনশ'র বলে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১৪ বলে ২০ রান করা সাইফ। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে ৫২ রান তোলে বাংলাদেশ। ভালো শুরু করলেও মাঝ ওভারে উইকেটে বিলিয়ে দেওয়া মিশনে নামেন বাংলাদেশের মিডল অর্ডাররা। লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করা তাওহীদ হৃদয় ব্যাটিংয়ে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। 

সপ্তম ওভারে অ্যাডাম জাম্পার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ৫ বলে ৮ রান করা হৃদয়। দলের অধিনায়কের বিদায়ের দ্রুত ফিরেছেন সৌম্য সরকার। উইকেট লিস্টে আবারও সেই জাম্পা। ১৮ বলে ১৭ রান করে লং অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সৌম্য। ৬৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। 

সেই চাপ সামলানো তো দূরের কথা উল্টো দলীয় এক শ রানের আগে ৮ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। পারভেজ হোসেন ইমন(১০)- শামীম হোসেনদের(১) কেউই দাঁড়াতে পারেননি। শেষ দিকে শেখ মেহেদীর ২২ বলে ২৯ রানের অপরাজিত ইনিংসে অলআউট হওয়ার আগে ১৩১ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। 

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন অ্যাডাম জাম্পা ও জুয়েল ডেভিস।