হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ খেলল ৬৪ ডট বল, অস্ট্রেলিয়া ম্যাচই জিতল ৬৬ বলে

মান বাঁচানোর ম্যাচে এলোমেলো ব্যাটিংয়ে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ব্যাটারদের আসা-যাওয়া ও ৬৪ ডট বল খেলা বাংলাদেশ কোনোরকমে ১০৯ রানের সংগ্রহ পায়। ছোট লক্ষ্য পেয়ে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে মাত্র ১১ ওভারেই ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় মিচেল মার্শরা। সেই সঙ্গে ৩-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ওয়ানডে হারের বদলাও নিল সফরকারীরা।  

লক্ষ্যে নেমে প্রথম ওভারেই অস্ট্রেলিয়া ১৭ রান এনে জানান দেয় দ্রুত ম্যাচ জেতার জন্য মাঠে নেমেছে তারা। মিচেল মার্শ ও জস ইংলিসের আগ্রাসী ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতেই দলীয় পঞ্চাশ রান পার করে অস্ট্রেলিয়া। যদিও পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে নাসুম আহমেদের বলে ১৭ রান করে ফেরেন ইংলিস। 

৫৪ রানে প্রথম উইকেট হারালেও রানের গতি কমাননি মিচেল মার্শ। রানা-তাসকিনদের বাউন্ডারি ছাড়া করে নবম ওভারে প্যাভিলিয়নে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। শরীফুলের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ২৮ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৬০ রান করেন মার্শ। 

ততক্ষণে অস্ট্রেলিয়ার জয় নিশ্চিত হয়ে যায়, শেষ দিকে কুপার কনোলিকে(১৫ রান) রিশাদ ফেরালেও ম্যাচে ফিরতে পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ১১তম ওভারের শেষ বলে টিম ডেভিড বিশাল এক ছক্কায় অজিদের জয় নিশ্চিত করে। 

এর আগে ব্যাট করতে নেমে রীতিমত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লেতেই ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দ্রুত অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। তানজিদ তামিম(৫), সাইফ হাসান ( ১ রান ৯ বল), পারভেজ হোসেন ইমন (১ রান ১৩ বল) কেউই নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। 

টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় মাঝ ওভারে দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তবে অপর প্রান্ত থেকে সঙ্গ পাননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। নুরুল হাসান সোহান (৬ রান) ও শামীম হোসেন (৫ বলে ০ রান) ক্রিজে টিকতেই পারেননি। ৬৫ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। 

এক শ রানের আগে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় থাকা স্বাগতিকদের মান বাঁচানোর সংগ্রহ এনে দেন হৃদয়। শেষ পর্যন্ত হৃদয়ের ৫১ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানে বাংলাদেশ ১০৯ রানের পুঁজি পায়। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২টি করে উইকেট নেন স্পেন্সার জনসন, নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা।