যে স্টেডিয়ামে হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল

কাতার বিশ্বকাপের বছর পেরিয়েছে। পরের বিশ্বকাপের এখনো ঢের বাকি। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহরে বসবে ফিফার ২৩তম বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট। ৩২ দলের বিশ্বকাপ নতুন রূপে হয়ে যাবে ৪৮ দলের।

কাতারে শীতকালীন টুর্নামেন্টের পরে আবারও চিরাচরিত জুন-জুলাইয়ে ফিরবে বিশ্বসেরার এ লড়াই। এখন থেকেই ফুটবল প্রেমীদের আগ্রহের জায়গা জুড়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল। কোন স্টেডিয়ামে হবে শিরোপার নির্ধারণ, কোথায় হবে আরেকটা স্বপ্নপূরণের মঞ্চায়ন?

গতকাল রোববার ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের সূচি প্রকাশ করেছে ফিফা। ১১ জুন শুরু হওয়া টুর্নামেন্টের শিরোপা নির্ধারিত হবে ১৯ জুলাই, নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।

২০২৬ সালের ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের সোফি স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তিন দেশে আয়োজিত এ বিশ্বকাপ। খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, ভ্রমণ ঝক্কি এড়ানো ও সমর্থকদের ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্যে পরের বিশ্বকাপের সূচি নির্ধারণে কাজ করে যাচ্ছে ফিফা। ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, তিনটি দেশের আলাদা টাইমজোন, ভিন্ন আবহাওয়া।

ফিফা নিশ্চিত করেছে, প্রতিটি দল নিজেদের এক ম্যাচ শেষে পরের ম্যাচের আগে তিনদিন বিশ্রাম পাবে। খেলোয়াড়দের ভ্রমণ ঝক্কি যাতে না পোহাতে হয়, সেজন্য স্বতন্ত্র সূচির পরিবর্তে গ্রুপ পর্বের জন্য স্টেডিয়াম নির্ধারিত করে দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে একটি গ্রুপের সকল ম্যাচ নির্ধারিত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। তিনটি দেশের আবহাওয়া, তাপমাত্রার ভিন্নতার বিষয়টি বাড়তি গুরুত্ব দিয়েই সূচি নির্ধারণ করবে ফিফা।  

২০২৫ সালে ডিসেম্বরে গ্রুপ পর্বের ড্রয়ের পর সব ম্যাচের বিস্তারিত সূচি প্রকাশ করবে ফিফা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো তিন দেশের যৌথ আয়োজনে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো উত্তর আমেরিকাতে ফিরছে ফুটবলের সর্বোচ্চ মর্যাদার লড়াই। সেবার ব্রাজিলের হাতে উঠেছিল শিরোপা। আরেক আয়োজক মেক্সিকোতে সবশেষ বিশ্বকাপ হয়েছিল ১৯৮৬ সালে, যেখানে শিরোপা জিতে ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছেন দিয়েগো মারাদনা।