ফিফা র‍্যাঙ্কিং

বাংলাদেশ আর পাকিস্তান যেখানে ছিল সেখানেই আছে, এগিয়েছে ভারত

বছরের শেষ ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক বা নেতিবাচক কোনো খবরই নেই। গত মাসে প্রকাশিত র‍্যাঙ্কিংয়ে যেখানে ছিল, সেই ১৮৫ নম্বরে থেকেই বছর শেষ করেছে বাংলাদেশ। অবশ্য নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরে বাংলাদেশ দল কোনো ম্যাচও খেলেনি, তাই রেটিং পয়েন্টে কোনো নড়চড় হওয়ার কথা ছিল না। অন্য দেশগুলোও এ সময়ে তেমন বেশি ম্যাচ না খেলায় আশপাশের দেশগুলোর অবস্থানেও নড়চড় হয়েছে সামান্যই, তাই বাংলাদেশের অবস্থানেও পরিবর্তন হলো না।  

এবারের ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সব দেশ মিলিয়েও দেখা যাচ্ছে, খুব বেশি দেশের অবস্থানে পরিবর্তন হয়নি। র‍্যাঙ্কিংয়ের প্রথম ১১৩টি দলের অবস্থানেই কোনো বদল হয়নি! সব মিলিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ২১০টি দেশের মধ্যে অবস্থানের অদলবদলই দেখেছে মাত্র ২৩টি দেশ! সর্বোচ্চ অদলবদলই হয়েছে দুই ধাপ – ভিয়েতনাম দুই ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছে ১১৪ নম্বরে, ইন্দোনেশিয়া (বর্তমান অবস্থান ১২৭) আর মায়ানমার (১৬৯) দুই ধাপ করে পিছিয়েছে। এর বাইরে এক ধাপ করে উত্থান বা পতন দেখেছে ২০টি দেশ!  

বাংলাদেশের প্রতিবেশি দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের অবস্থানেও কোনো নড়চড় নেই, তারা আছে ১৯৮ নম্বরেই। ভারত অবশ্য এক ধাপ এগোনো দেশগুলোর মধ্যে একটি। সেটা অবশ্য নিজেদের কারণে নয়, ইন্দোনেশিয়া ১২৫ থেকে দুই ধাপ নিচে নেমে যাওয়ায় ভারত (বর্তমান র‍্যাঙ্কিং ১২৬) ও গাম্বিয়া (১২৫) এক ধাপ করে এগিয়েছে, যদিও দুটি দেশেরই রেটিং পয়েন্ট একই আছে।

সাফের বাকি চার দেশের মধ্যে বাংলাদেশের ওপরে আছে মালদ্বীপ (১৬২), নেপাল (১৭৫) ও ভুটান (১৮২)। শ্রীলঙ্কা নিচেই আছে, তাদের অবস্থান ২০০।

এশিয়ায় জাপানই (১৫ নম্বরে) সবার শীর্ষে, ইরান (১৮) আর দক্ষিণ কোরিয়া (২৩) আছে সেরা তিনে।  

বিশ্বব্যাপী র‍্যাঙ্কিংয়ের প্রথম ১১৩ ধাপেই যেহেতু কোনো নড়চড় নেই, লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা তাই শীর্ষে থেকেই বছরটা শেষ করেছে। নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের ব্রাজিল ৫ নম্বরেই আছে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল ৬ নম্বরে। শীর্ষ দশে বাকি দেশগুলো -  ফ্রান্স (২), স্পেন (৩), ইংল্যান্ড (৪), নেদারল্যান্ডস (৭), বেলজিয়াম (৮), ইতালি (৯) ও জার্মানি (১০)।