মাসের হিসেব তো অনেক আগেই শেষ, দিনের হিসেবও শেষ। হিসেবটা এখন ঘণ্টায়। এই তো, মেরেকেটে আর ঘণ্টা দেড়েক!
ভারতের সঙ্গে আরও অনেক ম্যাচের মতোই নামবে বাংলাদেশ, ‘আমার সোনার বাংলা’র সুর বাজবে অন্য যেকোনো বারের মতোই, সে সময়ে একে একে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মুখ দেখানো হবে ক্যামেরায়। তবে আজ শিলংয়ে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ম্যাচের আগে যখন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজবে, নিশ্চিত, কোকড়া চুলের একটা মুখকেই বারবার খুঁজে নেবে ক্যামেরার চোখ। এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে এই ম্যাচ দিয়েই যে প্রথমবার, আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের হয়ে যাবেন হামজা দেওয়ান চৌধুরী!
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের লেস্টার সিটি থেকে বর্তমানে ধারে চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডে খেলছেন, এমন একজনকে বাংলাদেশ দলে দেখার অপেক্ষা যখন আর ঘণ্টার, বলতে পারেন মিনিটেরই – বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এ এক স্বপ্ন সত্যি হওয়ার দিন।
উপলক্ষটাও কী!
প্রতিপক্ষ ভারত, র্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে থাকলেও যাদের সঙ্গে বাংলাদেশ চোখে চোখ রেখেই কথা বলতে চায়। চোখ রাঙাতে চায়। সেই ভারতের সঙ্গে ম্যাচটা এমন এক মঞ্চে, যেখানে একটা জয় বা হারের মূল্য পয়েন্টের হিসাবেও অনেক। এখান থেকেই যে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার লড়াই শুরু বাংলাদেশের!
হামজাকে পাওয়ার রোমাঞ্চ ছাপিয়ে তাই এখানে বড় হয়ে ওঠে জয়ের রাস্তার ছকের খোঁজ, কৌশলের বিশ্লেষণ। হামজাকে কোন পজিশনে খেলালে বাংলাদেশ তার সেরাটা পাবে, ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের কৌশল কী হবে – চায়ের দোকান থেকে টিভি পর্দার গত কিছুদিনে এ নিয়ে কোথায় বিশ্লেষণ হয়নি। ম্যাচ শুরুর আগে আরেকবার বিশ্লেষণ করে নিতে দোষ বোধ হয় নেই।
তা কোথায় খেলবেন হামজা?
বাংলাদেশ না হয়ে যদি ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতেন হামজা, তাহলে সম্ভবত এ নিয়ে আলোচনারই কিছু থাকত না। সেখানে হামজা হয়ে থাকতেন সমমানের বাকি দশজনের পাশে শুধুই আরেকজন। ক্লাবে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডে খেলেন, কোচের কৌশলের খাতায় তাঁর নামের পাশে ভূমিকা হিসেবে লেখা থাকে ‘ডেস্ট্রয়ার’ – প্রতিপক্ষের আক্রমণ নষ্ট করা যাঁদের দায়িত্ব। কিন্তু বাংলাদেশ দলে যখন হামজার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়, সেখানে খেলার আগেই চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায়, টেকনিক্যালি হামজা আজ বাংলাদেশ আর ভারত মিলিয়ে মাঠের বাকি ২১ জনের চেয়েই এগিয়ে। বাংলাদেশ দলে শুধুই ডেস্ট্রয়ার ভূমিকা দেওয়া হলে হামজার সবটুকু তো পাওয়া হয় না বাংলাদেশের!
বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা গত দুই বছরে মূলত ৪-১-২-১-২ ছকে মিড ব্লকেই খেলাচ্ছেন দলটাকে। বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের মান ও ভূমিকা বিবেচনায় কৌশলটা ভালোই। বাংলাদেশের বক্সে দাপট দেখানোর মতো স্ট্রাইকার নেই, তাই প্রথাগত স্ট্রাইকার না রেখে কাবরেরা আক্রমণে রাখেন রাকিব হোসেন আর ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে – বা ফাহিমের জায়গায় শেখ মোরসালিনকে – যাঁদের ভূমিকা অনেকটা ‘ইনসাইড ফরোয়ার্ডে’র মতো। দল রক্ষণে ব্যস্ত থাকলে তাঁর টাচলাইনে থাকা উইঙ্গার, দল আক্রমণে গেলে তাঁরা ভেতরে ঢুকে পড়া ফরোয়ার্ড।
এই ছকে ডেস্ট্রয়ার ভূমিকা আছে বটে, সে জন্য মাঝমাঠে মোহাম্মদ হৃদয় আছেন। গত বছর দেড়েকে দারুণ খেলছেনও বটে। হৃদয়ের প্রাণান্ত দৌড়ে যাওয়া, প্রয়োজনে ট্যাকল করার দক্ষতা চোখে পড়েছে বারেবার। তাঁর জায়গায় হামজাকে খেলানো হলে ‘ডেস্ট্রয়ার’ ভূমিকায় মানের দিক থেকে উন্নতি হবে, এটা তো আর আলাদা করে বলার দরকার পড়ে না। তবে সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পুরো দলের মানগত উন্নতি কি হয়, যেটা হামজাকে পেয়ে আশা করছে বাংলাদেশ? ‘ডেস্ট্রয়ার’ - ভূমিকার নামেই তো উত্তর। যে ভূমিকার কাজ প্রতিপক্ষের খেলা নষ্ট করা। তাই বলে নিজেদের খেলায় অবদান থাকে না, এমন তো নয়, তবে নিজেদের খেলা গড়ে দেওয়া প্লেমেকার তো অন্তত তিনি নন!
তাহলে হামজাকে কোথায় খেলাবে বাংলাদেশ? হামজা তো প্লেমেকার নন। টেকনিক্যালি, অর্থাৎ পাসিং-রিসিভিং-শ্যুটিং-ট্যাকলিংয়ের মতো মৌলিক দিকগুলোতে ভালো হলেই তো আর কেভিন ডি ব্রুইনা, হুয়ান রোমান রিকেলমের মতো খেলা গড়ে দেওয়া একজন হয়ে ওঠা হয় না, কিংবা আন্দ্রেয়া পিরলোর মতো ‘রেজিস্তা’ও নন। হামজা ফিটনেসে বাকিদের চেয়ে এগিয়ে, মৌলিক টেকনিকে এগিয়ে। এমন একজনকে ‘বক্স টু বক্স’ ভূমিকাই সবচেয়ে ভালো মানায়। প্রয়োজনে তিনি ট্যাকল করবেন, দরকারে লম্বা পাসও বাড়াবেন উইং ধরে ছুটতে থাকা রাকিব-ফাহিমদের দিকে। দলের অনুশীলন দেখে আর ‘ভেতরের খবর’ যা শোনা যাচ্ছে, তাতে তাঁকে সেভাবেই কাজে লাগাতে যাচ্ছেন কাবরেরা।
দ্বিতীয় প্রশ্ন – হামজার পাশে কারা থাকছেন মিডফিল্ডে?
কাবরেরার কৌশলে মাঝমাঠের চারজনের মধ্যে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে হৃদয় থাকছেন, তাঁর সামনে দুই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারের ডানপাশে – রাইট সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে থাকবেন হামজা। লেফট সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে সোহেল রানা (সিনিয়র সোহেল)।
কিন্তু ডায়মন্ড আকৃতির এই মিডফিল্ডের ‘টিপ’ বা চূড়ায় কে থাকছেন, এ এক বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের জন্য। গত বছর দেড়েকে জামাল ভুঁইয়াকে দিয়েই সে কাজটা করিয়েছেন কাবরেরা, যদিও ৩৪ চলতে থাকা জামালকে মূলত ম্যাচের প্রথম ৬০-৬৫ মিনিটই খেলিয়েছেন। এবার ঝামেলাটা হলো, জামাল প্রায় ৭-৮ মাস ধরে নিয়মিত খেলার মধ্যেই নেই। পাসিং টেকনিকে তিনিও এখনো অন্য অনেকের চেয়ে এগিয়ে, কিন্তু ভারতের মতো এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফিটনেসও যে বড় ইস্যু!
সৌদি আরবে অনুশীলনে জামাল নয়, কাজেম শাহকেই ডায়মন্ডের চূড়ায় রেখে কৌশল সাজিয়েছিলেন বলে শোনা গিয়েছিল। কিন্তু সেখান থেকে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট নিয়েই ফেরা কাজেমকে নিয়ে কাবরেরা দ্বিধায় ছিলেন, সে কারণেই হয়তো ২৩ জনের বদলে ২৪ জনের দল নিয়ে ভারত গিয়েছিলেন কাবরেরা। যে ২৪ জনের মধ্যে মিডফিল্ডার ছিলেন ৯ জন। কিন্তু আজ শেষ মুহূর্তে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ, কাজেমের হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা আরও বেড়েছে।
সে ক্ষেত্রে শেখ মোরসালিন হতে পারেন বিকল্প। তাঁর গোল বের করার ক্ষমতা, ড্রিবলিং মোরসালিনকে খুব অল্প সময়েই বাংলাদেশের ভরসা বানিয়ে ফেলেছে। কিন্তু গত কয়েক মাসে চোট আর তার চেয়েও বেশি করে ব্যক্তিগত বিভিন্ন ঝামেলায় মোরসালিনও মাঠে অনিয়মিত।
তাহলে আর হয়তো তিনটি বিকল্পই থাকে কাবরেরার হাতে। এক, আগের ম্যাচগুলোর ভরসার জায়গা থেকে মোরসালিনকেই নামিয়ে দেওয়া, তাতে বাংলাদেশের ‘গোলস্কোরিং’-এ রাকিব আর ফাহিমের পাশে আরেকটি বিকল্প বাড়ে। অথবা গোলস্কোরিংয়ের কথাই মাথায় রেখে মোরসালিনের বদলে প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশ পুলিশের হয়ে ১০ ম্যাচে ৭ গোল করা আল আমিনকে নামিয়ে দেওয়া। তবে সেক্ষেত্রে মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণে কিছুটা ছাড় দিতে হবে কাবরেরাকে। মাঝমাঠেই নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চাইলে মজিবর রহমান জনিকে নামিয়ে দেওয়া। মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচে গোল করা জনি ক্যাম্বোডিয়ার বিপক্ষেও গোল পেয়েছেন। বল ক্যারিইংয়ের ক্ষমতাও আছে তাঁর।
কৌশল কী হতে পারে?
ডায়মন্ডের ‘টিপ’-এ কাকে খেলাবেন, সেটিই হয়তো অনুচ্চারে বলে দেবে এই ম্যাচে কাবরেরার কৌশল কী হতে পারে। বাংলাদেশ কোচ মিড ব্লকে খেলাতে পছন্দ করেন, প্রতিপক্ষ আক্রমণে গেলে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড ও মিডফিল্ডাররা পেছাতে থাকবেন, তবে মাঠের মাঝ পর্যন্ত এসে গেলে তখন রক্ষণ আর মাঝমাঠের দুই রেখার মধ্যে ব্যবধানটা কমে ১০-১৫ মিটারের মতো হয়ে যাবে। এই অল্প জায়গায় প্রতিপক্ষকে হাঁসফাঁস করার মতো অবস্থায় ফেলে বল কেড়ে নিতে পারলেই দুই উইংয়ে রাকিব-ফাহিমকে দিয়ে দ্রুত উঠে যাওয়া – কৌশলটা ইয়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুল অনেক জনপ্রিয়ই করে তুলেছে।
কিন্তু বাংলাদেশ কি হামজাকে পাওয়ায় আজ বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে আক্রমণাত্মক হবে, নাকি অন্য সব ম্যাচের মতোই ভারতকে আক্রমণ করতে দিয়ে মিড ব্লকে রেখে পাল্টা আক্রমণের কৌশলে যাবে?
দ্বিতীয়টির সম্ভাবনাই বেশি, কারণ কাগজে-কলমে সেটির কার্যকারিতাও বেশিই মনে হবে। মিড ব্লকে হৃদয় আর সোহেলের সঙ্গে হামজা মিলে যাওয়ায় বল কেড়ে নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি তৈরি হবে। আর দুই ইনসাইড-ফরোয়ার্ড রাকিব আর ফাহিমের গতিও মন্দ নয়। প্রসঙ্গত, ভারতের দুই সেন্টারব্যাক সান্দীপ ঝিঙ্গান আর রাহুল ভেকের উচ্চতা আর শক্তি বেশি হলেও দুজনের গতি কখনোই তাঁদের সবচেয়ে শক্তির জায়গা ছিল না। সেটির সুবিধা নিতেই চাইবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের তিন মাথাব্যথা
১. সুনীল ছেত্রী:
গত জুনে অবসর নেওয়া সুনীল ছেত্রী এই ম্যাচের আগে আবার ভারতীয় দলে ফিরেছেন। এরই মধ্যে মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে গোলও করেছেন ভারতের কিংবদন্তি এই স্ট্রাইকার। গতি বেশি না হলেও প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ‘ব্লাইন্ড সাইড’ ধরে দৌড়ে বেরিয়ে যাওয়ার ক্ষমতায় যে এতটুকু মরচে ধরেনি, সেটার প্রমাণই ছেত্রী আরেকবার রেখেছেন মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচে। বাংলাদেশের বিপক্ষে তাঁর রেকর্ডও দেখুন – এ পর্যন্ত ৬টি গোল করেছেন ছেত্রী বাংলাদেশের বিপক্ষে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে এর চেয়ে বেশি গোল তিনি করেছেন শুধু আর দুটি দেশের বিপক্ষে!
বাংলাদেশের কৌশল হিসেবে মিড ব্লকে কাউন্টার অ্যাটাক বেশি কার্যকর হবে বলা হচ্ছিল, ছেত্রীকে ঠেকাতে গেলেও বাংলাদেশের মিড ব্লকই বেশি কার্যকর হওয়ার কথা। সে ক্ষেত্রে ডিফেন্ডারদের সামনে হামজা-হৃদয়ের ট্যাকলিং আর বল কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা ছেত্রীর কাছে বল যাওয়ার রাস্তাই আটকে দিতে পারে। মালদ্বীপ ম্যাচে ভারতের নাম্বার টেন ব্র্যান্ডন ফার্নান্দেস চোটে পড়েছেন, এই ম্যাচে তাঁর না থাকা ভারতের বল ক্যারিইংয়ের শক্তিও কিছুটা কমিয়ে দেবে। ফার্নান্দেসের না থাকা, ওদিকে হৃদয়ের পাশে হামজার উপস্থিতি – বাংলাদেশ এ সুবিধাটা নিতে না চাওয়ার কোনো কারণ নেই।
২. লিস্টন কোলাচো:
জার্সি নাম্বার আর উদ্যাপনে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে অনুকরণে কমতি রাখেননি। তবে রোনালদোর মতো গোল করার ক্ষমতা কখনোই লিস্টনের বড় দক্ষতা নয়। মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচে পাওয়া গোলটিই ভারতের জার্সিতে তাঁর প্রথম গোল। তবে গোল করার জন্য তো ছেত্রী আছেনই, লিস্টন ভয়ংকর হয়ে ওঠেন তাঁর দুর্দান্ত গতি আর ‘ওয়ান-অন-ওয়ানে’ প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে যাওয়ার ক্ষমতার জন্য। নতুন কোচ মানোলো মার্কেসের অধীনে ভারত যে অনেক বেশি উইং-নির্ভর, তার বড় কারণও লেফট উইংয়ে লিস্টনের মতো একজনের উপস্থিতি। লিস্টনকে আটকাতে আজ বাংলাদেশের রাইটব্যাকে কে খেলেন, কেমন খেলেন, সেটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। শোনা যাচ্ছে, সাদ উদ্দীনের বদলে সেখানে রহমতকে খেলানো হতে পারে।
৩. মাথায় মাথায় টক্কর
ভারতের দুই ডিফেন্ডার সান্দীপ আর শুভাশিষের উচ্চতা ৬ ফুটের ওপর। ছেত্রী আর ভেকের উচ্চতা অত না হলেও তাঁদের লাফিয়ে অনেকদূর ওঠার দক্ষতা দারুণ। এসবের ফল? ভারত হেডে গোল পাচ্ছে অনেক। মালদ্বীপের বিপক্ষে ভারতের তিন গোলের তিনটিই এসেছে হেডে। এর দুটি আবার কর্নার থেকে হেডে। ইএসপিএন জানাচ্ছে, মার্কেসের অধীনে ভারতের গোলের ৬০ শতাংশের উৎস কর্নার! বাংলাদেশের এ ক্ষেত্রে মাথাব্যথা বাড়বে এ কারণে যে, বাংলাদেশের রক্ষণে এক তপু বর্মন ছাড়া বাকি সবারই উচ্চতা ৬ ফুটের নিচে।
৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার হলেও হামজাও লাফিয়ে ওঠায় দক্ষ। এ ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের ‘উদ্ধারকারী’ হবেন তিনি?