চোখে গুঁতো মেরেছিলেন আগে, এবার নাকও টেনে দিলেন তিনি

তুর্কিয়েতে যাওয়ার পর মনে হয়েছিল এবার বুঝি সংবাদমাধ্যমের আড়ালে চলে যাচ্ছেন জোসে মরিনিও। ইউরোপের শীর্ষ লিগ থেকে সরে যাওয়া মানেই তো সংবাদমাধ্যমের আগ্রহ হারানো। কিন্তু পর্তুগিজ কোচকে উপেক্ষা করার সাধ্য কার? একের পর এক কাণ্ডে বারবার খবর হচ্ছেন রেয়াল মাদ্রিদ, চেলসি, ইন্তের মিলান ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক কোচ।

তুর্কিশ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্তানবুল ডার্বিতে গ্যালাতাসারাইয়ের মুখোমুখি হয়েছিল ফেনারবাচ। গ্যালাতাসারাইয়ের সঙ্গে সর্বশেষ ম্যাচে রীতিমতো ধুন্ধুমার লেগে গিয়েছিল বলে বেশ আগ্রহ ছিল এই ম্যাচ নিয়ে। আগ্রহীদের হতাশ হতে হয়নি, গতকাল প্রতিপক্ষ কোচের নাক টেনে দিয়েছেন তিনি!

ম্যাচের ফলটাও মরিনিওর পক্ষে যায়নি। ২-১ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে ফেনারবাচ।

ঘরের মাঠেও ২৭ মিনিটের মধ্যে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে ফেনারবাচ। প্রথমার্ধের শেষভাগে এক গোল শোধ করলেও ম্যাচের বয়স যত এগিয়েছে দুই দলের মধ্যে যুদ্ধংদেহী আচরণ তত বেড়েছে। এক পর্যায়ে মাঠে ঢুকে সবাইকে শান্ত করতে নেমেছিল পুলিশও।

যোগ করা সময়ে দুই দলের খেলোয়াড়ের মারামারি জড়ালে লাল কার্ড দেখেন তিন খেলোয়াড়। এর মধ্যে গ্যালাতাসারাইয়ের ছিলেন দুজন। এরপর মরিনিও এগিয়ে গিয়ে গ্যালাতাসারাই কোচ ওকান বুরুকের নাকে খোঁচা মারেন। বেশ নাটকীয় ঢঙে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বুরুক।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে মরিনিওর বিপক্ষে বর্ণবিদ্বেষী আচরণের অভিযোগ তুলেছিল গ্যালাতাসারাই। কারণ দুই দলের ম্যাচে ঘরের মাঠের সাইডবেঞ্চের আচরণ দেখে মরিনিও বলেছিলেন, ওরা ‘বানরের মতো লাফাচ্ছিল।’

সে ম্যাচেই তুর্কি রেফারি এবং তুর্কি ফুটবল নিয়ে অবমাননাকর কথা বলায় প্রথমে চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা পান মরিনিও। পরে তা দুই ম্যাচে কমিয়ে আনা হয়। 

২০১১ সালে মাদ্রিদের কোচ থাকার সময় বার্সেলোনার সহকারী কোচ প্রয়াত তিতো ভিলানোভার চোখে গুঁতো দিয়েছিলেন।