অভিযোগ মরিনিওর

একটি দলকে জেতানোর সিদ্ধান্ত আগেই নিয়ে রেখেছে সবাই

গতকাল তুর্কি লিগে ‘সাবেক ম্যান ইউনাইটেড’ ডার্বি হয়েছে। বেসিকতাস ও ফেনারবাচ- দুই দলের কোচই যে ইউনাইটেদের সাবেক দুই কোচ। আর সে লড়াইয়ে উলে গুনার সুলশারের বেসিকতাসের কাছে হেরে গেছে জোসে মরিনিওর ফেনারবাচ।

১-০ ব্যবধানের এই হারে লিগ জেতার স্বপ্ন প্রায় শেষ হয়ে গেছে ফেনারবাচের। ম্যাচ শেষে মরিনিও অবশ্য স্বভাবসুলভভাবে নিজের ঘাড়ে এই ব্যর্থতার কোনো দায় নেননি। বরং অভিযোগ করেছেন, লিগ শুরুর আগেই গ্যালাতাসারাইকে জেতানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিল কর্তৃপক্ষ।

৩১ ম্যাচ শেষে শীর্ষে থাকা গ্যালাতাসারাইয়ের চেয়ে ৫ পয়েন্ট পিছিয়ে ছিল ফেনারবাচ। এই অবস্থায় গতকাল  সুপার লিগের ম্যাচটি জিততেই হতো তাদের। প্রতিপক্ষ বেসিকতাস লিগের চতুর্থ দল হলেও পয়েন্টে ফেনারবাচের চেয়ে ২৩ পয়েন্টে (৩১ ম্যাচ শেষে) পিছিয়ে থাকাই বলে দিচ্ছে কতটা বাজে ফর্মের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দলটি।

কিন্তু এই দলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলেও কোনো গোল করতে পারেনি ফেনারবাচ। উল্টো ৪৪ মিনিটে গেদসন ফেরনান্দেস গোল করে বসেন। লিগে আর মাত্র ৪ ম্যাচ বাকি। এত কম ম্যাচে ৮ পয়েন্টের ব্যবধান পেরিয়ে শিরোপা জেতার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য।

মরিনিও অবশ্য সব দায় রেফারিদের ঘাড়ে তুলে দিয়ে দিয়েছেন, ‘যখন আপনার কিছু খেলোয়াড় ভালো করে না, সেট আপনার পুরো দলের ওপরও প্রভাব ফেলে। এই লিগের ফল শুরু হওয়ার আগেই নির্ধারিত ছিল। ঘরের মাঠের হারগুলো ভাগ্য গড়ে দিয়েছে। ভিএআর এর সিদ্ধান্ত, ভিএআরের সিদ্ধান্তগুলো। এসব নিয়ে কথা বলতে বলতে ক্লান্ত আমি। আমার কোনো ক্ষমতা নেই, কিছুই বদলায় না। কিন্তু এটাই পরিস্থিতি, এটাই সত্য।’

মৌসুমের শুরু থেকেই লিগের রেফারি নিয়ে অভিযোগের পর অভিযোগ করে গেছেন মরিনিও। বাধ্য হয়ে তুর্কি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন গ্যালাতাসারাই-ফেনারবাচ ম্যাচে স্লোভেনিয়ান রেফারি নিয়োগ দিয়েছিল। সে ম্যাচের আগে গ্যালাতাসারাই মরিনিওর বিপক্ষে বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগও তুলেছিল। লিগে দুবার মুখোমুখি হয়ে একবারও গ্যালাতাসারাইকে হারাতে পারেনি। তুর্কি কাপেও তাদের বিপক্ষে হেরেছে। বেসিকতাসের বিপক্ষেও দুই ম্যাচেই হেরেছে ফেনারবাচ।