মেজর লিগ সকারে টানা দুই ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়ে অবশেষে জয়ের ধারায় ফিরেছে ইন্টার মায়ামি। ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে আজ নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশনকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে হাভিয়ের মাচেরানোর শিষ্যরা। মায়ামির বড় জয়ে জোড়া গোল করেছেন তাদেও আলেনদে ও ইয়র্দি আলবা।
গোল না পেলেও অন্যরকম হ্যাটট্রিক করেছেন লিওনেল মেসি। মায়ামির চার গোলের তিনটিই বানিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
ম্যাচে অবশ্য প্রথম সুযোটটা পেয়েছিল নিউ ইংল্যান্ড। ৯ম মিনিটে বাঁপ্রান্ত থেকে বাড়ানো কার্লেস গিলের ক্রসে হেড করেছিলেন ব্রান্ডন বাই। নিউ ইংল্যান্ড মিডফিল্ডের হেড বারে লেগে ফেরত আসে।
৫ মিনিট পর বক্সের বাইরে থেকে শট নিয়েছিলেন মেসি। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের শট সহজেই ঠেকিয়েছেন নিউ ইংল্যান্ড গোলকিপার ম্যাট টার্নার। ১৬ মিনিটে একবার জালে বল জড়িয়েছিলেন রদ্রিগো দে পল। তবে অফসাইডের কারণে দে পলের গোলটি বৈধতা পায়নি।
মায়ামিকে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ৩২ মিনিটে মেসির পাসে বক্সের ডান প্রান্ত থেকে কোনাকুনি শটে জালে বল জড়ান আলেনদে। প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে জালে বল জড়িয়েছিলেন মেসিও। তবে আক্রমণের একপর্যায়ে সুয়ারেস অফসাইডে থাকায় গোলটি বৈধতা পায়নি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় গোলের দেখা পেয়ে যায় মায়ামি। এবারও অ্যাসিস্টে মেসির নাম। মায়ামির আক্রমণে দিশেহারা হয়ে সতীর্থকে বল দিতে গিয়ে মেসির পায়ে বল তুলে দেন নিউ ইংল্যান্ড গোলকিপার। বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় বক্সে ঢুকে আলবার উদ্দেশ্যে বল বাড়ান আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। বক্সের ভেতর থেকে স্কোরলাইন ২-০ করেন আলবা।
বিরতির পর মেসির লম্বা করে বাড়ানো বলেই ৬০ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করেন আলেনদে। আর ৩ মিনিট পর সেগোভিয়ার সহায়তায় গোল করেন আলবা। এর আগে ৫৯ মিনিটে অবশ্য একটা গোল ফিরিয়ে দিয়েছেন দোর তুর্গেমান।
আজকের জয়ে ৩২ ম্যাচে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনেই থাকল মায়ামি। এক ম্যাচ বেশি খেলে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে থাকা ফিলাডেলফিয়া সাপোর্টার্স শিল্ড জয় অনেকটাই নিশ্চিত করেছে। ৩৩ ম্যাচ খেলে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে সিনসিনাটি।
ম্যাচ শেষে মেসিকে নিয়ে মায়ামি কোচ বলেছেন, ‘মেসির গোল করার আগ্রহটা ছিল চোখে পড়ার মতো। ও-ই (মেসি) কিন্তু আমাদের প্রথম গোলটা করার সুযোগ করে দিয়েছে। এমনকি জয়ের নিশ্চয়তাও এনে দিয়েছে। শুধু ইয়র্দিকে (আলবা) ওই পাসটা দেওয়ার মাধ্যমে নয়, বরং স্কোর ২-১ হওয়ার পর যে পাসটা দিয়েছে, সেটা ও ছাড়া আর কেউ দিতে পারত না।’