গতকাল বুধবার বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্লে-অফের ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের ৪৮ দলের চক্র পূর্ণতা পেয়েছে। গতকালই আবার পঞ্চমধাপে বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে ফিফা। বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি শুরু হবে, আর সেটার দাম নিয়ে বিতর্ক হবে না, সেটা যেন কল্পনাও করা যাচ্ছে না এবার!
যথারীতি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের টিকিটের দাম আরেকদফা টিকিটের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিসেম্বরে গ্রুপ পর্বের ড্রয়ের আগে বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে দামি টিকিটের দাম ছিল ৮৬৮০ ডলার, বাংলাদেশি অর্থমূল্যে যা ১০ লাখ ৬৮ হাজার টাকার কিছু বেশি। বর্তমানে সেই টিকিটের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৯৯০ মার্কিন ডলার বা সাড়ে ১৩ লাখ টাকার বেশি। টিকিটের এমন মূল্য বৃদ্ধি আরেকদফা সমালোচনার মুখে পড়েছে বৈশ্বিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
গতকাল পঞ্চমধাপে টিকিট বিক্রির শুরুতে অবশ্য বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যা হচ্ছিল বলে টিকিট কাটা যাচ্ছিল না। পরে সমস্যাটি সমাধান হলেও টিকিটের দাম নিয়ে আগ্রহীদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।
ফাইনালে শুধু বেশি দামের টিকিটের দামই বেড়েছে, ব্যাপারটা এমন নয়। ১৯ জুলাই মেটলাইফে হতে যাওয়া শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের ক্যাটাগরি দুইয়ের টিকিটের দাম ৫৫৭৫ ডলার থেকে বেড়ে ৭৩৮০ ডলার (৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৯ লাখ টাকার বেশি) হয়েছে। আর ক্যাটাগরি ৩ এর টিকিটের দাম আগে ছিল ৪১৮৫ ডলার (৫ লাখ টাকার বেশি), যা বেড়ে ৫৭৮৫ ডলার (৭ লাখ টাকার বেশি) হয়েছে।
ফিফা অবশ্য এবার টিকিট বিক্রিতে ডাইনামিক প্রাইসিং পদ্ধতি ব্যবহার করছে। ফলে চাহিদা যত বাড়ছে, টিকিটের দামও তত বেড়ে যাচ্ছে।
বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট পাওয়া গেলেও গতকাল রাত পর্যন্ত টিকিট বিক্রির ওয়েবসাইটে নকআউট পর্বের অন্য কোনো ম্যাচের টিকিট পাওয়া যাচ্ছিল না। আর গ্রুপ পর্বের ৭২ ম্যাচের মধ্যে তখন পর্যন্ত মোটে ১৭ ম্যাচের টিকিট তালিকাভুক্ত হয়েছিল বিক্রির জন্য।
ফাইনালের টিকিটের দাম বেড়ে গেলেও ১২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে হতে যাওয়া প্রথম ম্যাচের (যুক্তরাষ্ট্র-প্যারাগুয়ের) সবচেয়ে বেশি দামের টিকিটের মূল্য ডিসেম্বরের তুলনায় প্রায় একই থেকেছে।