সেনেগাল-কঙ্গোকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সেনেগালকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে, ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলতে জায়গা করে নিয়েছে বেলজিয়াম। রেড ডেভিলসের পক্ষে জোড়া গোল ইউরি তিলেমানসের। অন্যদিকে হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে, ডি আর কঙ্গোকে হারিয়ে ইংল্যান্ডও উঠেছে শেষ ষোলতে।

বেলজিয়ামের সোনালী প্রজন্মের বিজয়ের হাসিতে, সেনেগালের হৃদয়ভাঙা কান্না। তেরাঙ্গার সিংহরা যে রীতিমতো জেতা ম্যাচ হারলো। ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে সেনেগাল। সেখান থেকে মুহূর্তেই সব তছনছ।

বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচ জুড়ে দাপুটে ও নান্দনিক ফুটবল খেলেছে সেনেগাল। প্রথমার্ধে দিয়ারা, বিরতির পর ইসমাইলার গোলে আফ্রিকান সিংহরা জয়ের খুব কাছে ছিল।

হারের মুখে থাকা বেলজিয়াম, শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। ৩ মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল দেয়। প্রথমে লুকাকু। এরপর তিলেমানস। এ দুজনের গোলে সমতায় নির্ধারিত সময় শেষ করে রেড ডেভিলস। 

এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিট, সেখানেও চরম নাটকীয়তা। ম্যাচ এগোচ্ছে টাইব্রেকারের পথে। একেবারে শেষ মুহূর্তে ডিবক্সে ফাউলের শিকার হয়ে পেনাল্টি পেয়ে যায় বেলজিয়াম। সফল স্পট কিকে জোড়া পূর্ণ করেন তিলেমানস। সেই সাথে বেলজিয়ামকে তোলেন বিশ্বকাপের শেষ ষোলতে।

এর আগে, ইংল্যান্ড-কঙ্গো ম্যাচও ছিল জমজমাট। থ্রি-লায়ন্স ডেরায় কাঁপন ধরিয়ে ৭ মিনিটেই কঙ্গোর গোল। লিড এনে দেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা।

প্রথমার্ধে ম্যাচে ফেরার প্রাণান্তকর চেষ্টা ইংল্যান্ডের। কঙ্গো গোলকিপারের একের পর এক সেভে গোলবঞ্চিত কেইন, বেলিংহামরা।

দ্বিতীয়ার্ধেও সমতায় ফিরতে ইংল্যান্ডের হাপিত্যেশ। অবশেষে দলের সবচেয়ে বড় তারকা হ্যারি কেইন ইংলিশদের সমতায় ফেরান। শেষ সময়ে জোড়া পূর্ণ করে থ্রি লায়ন্সের জয়ের নায়কও কেইন। 

তবে ইংল্যান্ডের এই জয়ের নেপথ্যে আরো একজন নায়ক আছেন। অ্যান্থনি গর্ডন। ৬০ মিনিটে বদলি নেমে গর্ডন অবদান রাখেন কেইনের দুটি গোলেই। গর্ডন বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার যিনি নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচে বদলি নেমে দুটি অ্যাসিস্ট করলেন।