বিদায়ের শঙ্কা উড়িয়ে মেসি ম্যাজিকে টানা দ্বিতীয় ফাইনালে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে,কঠিন পথ পেরিয়ে শিরোপায় চোখ রাখছে স্পেন। এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার খবরের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরতে শুরু করেছে একটি ছবি, যেখানে মেসির কোলে একটি ছোটো শিশুকে দেখা যাচ্ছে, যিনি এখন স্পেন দলের তুখোড় খেলোয়ার লামিন ইয়ামাল।
অনেকেই ছবিটিকে ভুয়া বা এআই-নির্মিত বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তবে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফই এবার নিশ্চিত করেছে, এই ছবি কোনো কল্পনা বা প্রযুক্তির কারসাজি নয় বরং বাস্তব।
২০০৭ সালে, বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের ফটোশুটের জন্য এই শিশুকে নিয়ে ছবি তুলেছিলেন তরুণ লিওনেল মেসি। তখন মেসির বয়স ছিল ২০ বছর। ছবিতে পোজ দেওয়ার অংশ হিসেবে মেসি তখন গোসল করিয়ে দিচ্ছিলেন লামিন ইয়ামালকে।
ইউনিসেফের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মেসি ও ইয়ামালের ছবিটি পোস্ট করে এর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, হ্যাঁ, আপনারা যে ছবিগুলো দেখেছেন, সেগুলো একদম আসল।
পোস্টে আরও বলা হয়েছে, ১৮ বছরেরও বেশি সময় আগে, ইউনিসেফের তহবিল সংগ্রহের একটি ফটোশুটে লামিন ইয়ামাল ও তার মা শিলার সাথে লিওনেল মেসির দেখা হয়েছিল।
এতে বলা হয়, আজ, খেলার মাঠে তাঁদের সাফল্য লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। মাঠের বাইরেও, মেসি ও লামিন ইয়ামাল—উভয়েই ইউনিসেফের ‘গুডউইল অ্যাম্বাসেডর’ বা শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে শিশুদের সহায়তা ও তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেন।
পোস্টে বলা হয়, এর লক্ষ্য কী? যাতে প্রতিটি শিশু বেঁচে থাকে, সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠে এবং নিজেদের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে। আমাদের দলে তাঁদের পেয়ে আমরা গর্বিত।