বিশ্বকাপের আর দুটো ম্যাচ বাকি থাকলেও মানুষের আগ্রহ শুধু আগামী রোববার রাতের আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালকে ঘিরে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড-ফ্রান্স তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটিকে শুধু নিয়মরক্ষার ম্যাচ বললেও বোধহয় খুব বেশি ভুল হবে না।
তবে নিয়মরক্ষার হলেও ওই ম্যাচে নজর থাকবে ভিন্ন কারণে। কে গোল করলেন, কত গোল করলেন। কেননা, তৃতীয় স্থান নির্ধারণীর গোলও গোল্ডেন বুটের হিসাবে ধরা হয়।
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক ৮টি গোল করেছেন। সমান ৮টি গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পেও। তবে অ্যাসিস্টে মেসি (৪) এগিয়ে থাকায় গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এমবাপ্পের (৩) চেয়ে এগিয়ে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
৭ গোল নিয়ে তালিকায় এরপরে আর্লিং হলান্ড। নরওয়ের বিশ্বকাপ শেষ হওয়ায় হলান্ডের গোল্ডেন বুট জেতার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এছাড়া সমান ৬ গোল নিয়ে দৌড়ে আছেন জুড বেলিংহাম, হ্যারি কেইন। স্পেনের ওইয়ারসাবাল, ফ্রান্সের দেম্বেলেও এখন পর্যন্ত ৫টি গোল করেছেন। সবার সামনেই এখন একটি করে ম্যাচ বাকি।
সে কারণে আগামীকাল শনিবার রাতের ফ্রান্স-ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি শুধু নিয়মরক্ষার লড়াই নয়, বরং বদলে দিতে পারে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের ভাগ্যও।
বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতেছেন, এমন ফুটবলারদের মধ্যে ৭ জন তৃতীয় স্থান নির্ধারণীতে গোল করেছেন। এর মধ্যে জার্মানির টমাস মুলার (২০১০), ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকর (১৯৯৮), ইতালির সালভাতোরে শিলাচি (১৯৯০) ও ব্রাজিলের লিওনিদাস (১৯৩৮)- এই চারজনের তৃতীয় স্থান নিধারণীতে করা গোলই শেষ পর্যন্ত তাঁদের হাতে গোল্ডেন বুট এনে দিয়েছিল।
উল্লেখ্য, টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে গোল্ডেন বুট দেওয়া হয়। যদি একাধিক খেলোয়াড়ের গোল সমান হয়, সেক্ষেত্রে বিবেচনায় আসে, অ্যাসিস্টের সংখ্যা। অ্যাসিস্টও সমান হলে, তখন দেখা হয়, কে কত মিনিট খেলেছেন। যিনি কম সময়ে ওই গোল করেছেন, তখন তাঁর হাতে ওঠে গোল্ডেন বুট।