মেজর লিগ সকারে ও মেক্সিকোর লিগা এমএক্সের চ্যাম্পিয়নদের মধ্যকার বার্ষিক লড়াইয়ে ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। ফ্লোরিডার ক্লাবটির জয়ে বড় অবদান রেখেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন মহাতারকা নিজে এক গোল করেছেন, সতীর্থ কাসেমিরোকে দিয়ে করিয়েছেন অন্য গোলটি।
মায়ামির জার্সিতে এটি ছিল মেসির ১০০তম গোল। মেসির গোলের সেঞ্চুরির রাতে ক্রুজ আজুলকে হারিয়ে ক্যাম্পেওনেস কাপ জিতেছে মায়ামি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার পর মায়ামির জার্সিতে এটি মেসির ৫ম শিরোপা। আর ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে ৪৯টি শিরোপা জেতা হয়ে গেল মেসির। একজন ফুটবলারের এটাই সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ের কীর্তি।
মেসির মাইলফলকের রাতটা মায়ামির জন্যও স্পেশাল। এ ম্যাচেই মায়ামির ডাগআউটে প্রথমবার দাঁড়িয়েছিলেন নতুন কোচ ক্রিস্তিয়ান ‘কিলি’ গনসালেস। আর্জেন্টাইন এ কোচের শুরুটা হলো ট্রফি জিতেই।
বাংলাদেশ সময় আজ বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হওয়া এ ম্যাচের ২৪ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় মায়ামি। ডানপ্রান্ত থেকে সুয়ারেসের ক্রসে দারুণ এক হেডে জালে বল জড়ান মেসি। আর নির্ধারিত সময়ের ৯ মিনিট আগে মেসির কর্নারে মাথা ছুঁয়ে স্কোরলাইন দ্বিগুণ করেন কাসেমিরো।
মায়ামির জার্সিতে এটি ছিল মেসির ১১৫তম ম্যাচ। তাতে গোলের সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৫৬ অ্যাসিস্টও হয়ে গেল মেসির। অবশ্য ১০০ গোলের পথেও নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙেছেন মেসি। এর আগে কখনোই কোনো দলের হয়ে এত কম ম্যাচে ১০০ গোল করতে পারেননি মেসি।
বার্সেলোনার হয়ে ১০০ গোল পূর্ণ করতে মেসির লেগেছিল ১৮৮ ম্যাচ। আর আর্জেন্টিনার হয়ে এই মাইলফলকে পৌঁছাতে খেলেছিলেন ১৭৪ ম্যাচ। মায়ামির হয়ে সেটার দেখা পেলেন ১১৫ ম্যাচেই।
এই ১০০ গোলের মধ্যে মেসি এমএলএসে করেছেন ৭৬ গোল। লিগস কাপে তাঁর গোল ১৪টি, কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে ৮টি এবং ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে করেছেন ১টি গোল।
উল্লেখ্য, ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ক্যারিয়ারে এখন মেসির গোলসংখ্যা ৯২৯। চলতি মৌসুমে এমএলএসে ২২ ম্যাচে ১৯ গোল করে এখন পর্যন্ত লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।