২০২৬ ব্যালন ডি’অর

কোনো পুরস্কার না পেয়েও মেসির নতুন রেকর্ড

বয়স ৩৯ ছাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলকেও বিদায় বলেছেন। তবে জাতীয় দল ছাড়ার আগে সর্বশেষ বিশ্বকাপে রীতিমতো অতিমানবীয় পারফর্ম করেন লিওনেল মেসি। বলতে গেলে প্রায় একক নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় মেসির আর্জেন্টিনাকে।

বিশ্বকাপে মেসির পারফরম্যান্স এবং ইন্টার মায়ামির হয়ে তাঁর সাফল্যের জেরে এ বয়সেও ব্যালন ডি’অরে অন্যতম ফেভারিট ছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত এবার আর পুরস্কার জেতা হয়নি। মেসি-এমবাপ্পে-ইয়ামালদের পেছনে ফেলে ২০২৬ ব্যালন ডি’অর নিজের করে নেন ইংলিশ তারকা হ্যারি কেইন। অন্যদিকে মেসি এবার পঞ্চম হয়েছেন।

তালিকার পাঁচে থাকলেও ব্যালন ডি’অরে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন মেসি। আউটফিল্ডের ফুটবলার হিসেবে সবচেয়ে বেশি বয়সে ব্যালন ডি’অরের তালিকায় শীর্ষ ৫-এ জায়গা করে নেওয়া ফুটবলার এখন মেসি।

অবশ্য যদি গোলকিপারসহ হিসাব বিবেচনা করা হয়, তাহলে রেকর্ডটা জিয়ানলুইসি বুফনের দখলে। ২০১৭ ব্যালন ডি’অরে চারে থেকে শেষ করেন সাবেক ইতালিয়ান গোলকিপার। তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৯ বছর ১০ মাস। অন্যদিকে এবারের ব্যালন ডি’অর ঘোষণার সময় মেসির বয়স ৩৯ বছর ৪ মাস। অর্থাৎ গোলকিপারসহ তালিকার দুইয়ে থাকলেও, আউটফিল্ড ফুটবলারদের মধ্যেই মেসিই সবচেয়ে বেশি বয়সে শীর্ষ ৫-এ থাকলেন।

শীর্ষ-১০ বিবেচনায় নিলে, মেসির মতো পরিসংখ্যান নেই আর কারও নামের পাশে। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ১৬ বার ব্যালন ডি’অরের তালিকায় শীর্ষ ১০-এর মধ্যে থাকলেন মেসি। এরমধ্যে রেকর্ড ৮বারই ব্যালন ডি’অর জিতেছেন তিনি। অন্যদিকে এ তালিকায় দুইয়ে আছেন ৫ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগিজ কিংবদন্তি ব্যালন ডি’অরের শীর্ষ ১০-এ ছিলেন ১৪ বার।

 

মেসি যে ১৬ বার ব্যালন ডি’অর তালিকায় শীর্ষ-১০ এ ছিলেন:

২০০৭: তৃতীয়

২০০৮: দ্বিতীয়

২০০৯: বিজয়ী

২০১০: বিজয়ী

২০১১: বিজয়ী

২০১২: বিজয়ী

২০১৩: দ্বিতীয়

২০১৪: দ্বিতীয়

২০১৫: বিজয়ী

২০১৬: দ্বিতীয়

২০১৭: দ্বিতীয়

২০১৮: পঞ্চম

২০১৯: বিজয়ী

২০২১: বিজয়ী

২০২৩: বিজয়ী

২০২৬: পঞ্চম