শুরুটা হয়েছিল ক্রিকেট বোর্ড দিয়ে। নির্বাচিত বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বোর্ড মিটিংয়ে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। নির্বাচন হয়, এমন আরেক ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন অবশ্য নিজের অবস্থান থেকে সরবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
ফুটবলে নির্বাচিত সভাপতিকে চাইলেই সরকারিভাবে সরানো সম্ভব নয়। এসব ক্ষেত্রে ফিফার কড়া অবস্থান আপাতত ফুটবলে কোনো নতুন মুখ দেখতে দিচ্ছে না। তবে সরকারি মনোনয়নে নিয়োগ পাওয়া অন্য ফেডারেশনগুলোর শীর্ষ পদে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।
গত ৪ সেপ্টেম্বর দাবা, কাবাডি ও ব্রিজ ফেডারেশনের তিন সভাপতিকে অপসারণ করা হয়েছিল। সপ্তাহ পেরোনোর আগে সে তালিকায় যোগ দিলেন ৪২জন! এর আগে দেশের সব বিভাগীয়, জেলা ও মহিলা ক্রীড়া সংস্থা ভেঙে দিয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
গত ৪ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এক অফিস আদেশে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮ এর ২২ ধারা মোতাবেক কাবাডি ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল চৌধুরি মামুন, ব্রিজ ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও দাবা ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদকে তাঁদের নিজ নিজ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
আজ একই ধারায় ৪২টি ফেডারেশন/বোর্ড/ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে বিভিন্ন বোর্ডের কার্যক্রম আরও সক্রিয় সংস্কারের জন্য এ নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
এ তালিকায় অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, শ্যুটিং, ভারোত্তোলন, টেনিস, আর্চারি, টেবিল টেনিসের মতো পরিচিত ফেডারেশন আছে। আছে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, অ্যামেচার বক্সিং ফেডারেশন, প্যারালিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশ এবং ঘুড়ি ফেডারেশনও। এছাড়া খিউকুশিন, চুকবল, সেপাক টাকরো-র মতো স্বল্প পরিচিত কিছু ফেডারেশনও আছে।