ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন দেশসেরা ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। বিশ্ব ডোপিং বিরোধী সংস্থা, ওয়াডা এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ২৬ বছর বয়সী অ্যাথলেটকে। অসুস্থতার কারণে ওষুধ সেবন করলেও নিয়ম না মানায় ক্যারিয়ারে মহাসংকট মাবিয়ার। এসএ গেমসে দুবার স্বর্ণজয়ী এই ভারোত্তোলক আপিল করা নিয়েও আছেন শঙ্কায়।
ভারোত্তোলনে লাল-সবুজের বিজ্ঞাপন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। ২০১৬ ও ২০১৯ এসএ গেমসে স্বর্ণ জিতে দেশকে গর্বিত করেছিলেন। পোডিয়ামে পতাকা ও তাঁর কান্না সবাইকে নাড়িয়ে দিয়েছিল।
সেই মাবিয়ার ক্যারিয়ার হুমকির মুখে। ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া - সবখানেই দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ তিনি। গত ২৯ অক্টোবর ঢাকায় নেওয়া মাবিয়ার নমুনায় নিষিদ্ধ দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াডা। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন এরই মধ্যে তাঁকে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।
মাবিয়ার দাবি, অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করেছিলেন তিনি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী ফেডারেশন বা অলিম্পিক কমিটিকে আগে থেকে সেই তথ্য না জানানোয় তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ১৪ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাচ্ছেন মাবিয়া। তবে আপিল প্রক্রিয়াটি বেশ ব্যয়বহুল ও জটিল।
শাস্তি না কমলে, ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবেন মাবিয়া। দেশের অন্যতম সফল এই অ্যাথলিটের সংকটে সতর্ক অবস্থানে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। ভবিষ্যতে অ্যাথলিট ও কোচদের ডোপিং বিষয়ে আরও সচেতন করতে বিশেষ সেশনের পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি।