প্যারিস অলিম্পিক ২০২৪

নাদালকে উড়িয়ে অধরা স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে এগোলেন জোকোভিচ

গ্র্যান্ড স্লামে ছেলেদের এককে সবচেয়ে বেশি ২৪টি শিরোপা জেতার রেকর্ড আগেই গড়েছেন নোভাক জোকোভিচ। জেতা হয়েছে সবগুলো এটিপি মাস্টার্স ইভেন্টও। সার্বিয়ান কিংবদন্তির ঝলমলে ক্যারিয়ারে একমাত্র অপূর্ণতা বলতে অলিম্পিকে কখনো সোনা জিততে না পারা!

বয়স হয়ে গেছে ৩৭। আক্ষেপ ঘোচানোর হয়তো এটাই শেষ সুযোগ। প্যারিস অলিম্পিকে অধরা স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে গতকাল ছেলেদের এককে দ্বিতীয় রাউন্ডে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাফায়েল নাদালের মুখোমুখি হয়েছিলেন জোকোভিচ।

ক্যারিয়ারে ২২ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী নাদাল ফ্রেঞ্চ ওপেনের রোলাঁ গাঁরোতেই জিতেছেন ১৪টি শিরোপা। ক্লে কোর্টের রাজা নাদালের বিপক্ষে ম্যাচটা তাই সহজ হওয়ার কথা ছিল না জোকোভিচের। কিন্তু সেসব পরিসংখ্যান একদিকে সরিয়ে ম্যাচটাকে একপাক্ষিক বানিয়ে ৬-১, ৬-৪ গেমে জিতে তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন জোকোভিচ।

গতকালের লড়াইটা ছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ৬০তম মুখোমুখি লড়াই। টেনিস ইতিহাসে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী জুটি এতো বেশি ম্যাচে একে অন্যের মুখোমুখি হয়নি।

ফ্রান্সের কোর্ট ফিলিপে শত্ররিয়েতে গতকাল প্রথম ১১টি গেমের ১০টিই জিতে নেন জোকোভিচ। প্রথম সেট ৬-১ গেমে জেতার পর দ্বিতীয় সেটে জোকোভিচ তখন ৪-০ তে এগিয়ে।

লাল দুর্গের রাজা নাদালকে যেন খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে দ্বিতীয় সেটে ৪-০ গেমে পিছিয়ে পড়ার পর দারুণ দক্ষতায় ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-৪ করে ম্যাচটাকে তৃতীয় সেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে পরের দুটি গেম জিতে ম্যাচটাকে সেখানেই থামিয়ে দেন জোকোভিচ।

২০০৬ সালে রোলাঁ গাঁরোতে প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিলেন দুজন। এরপর দীর্ঘ দেড় যুগে মোট ৬০ বারের দেখায় গতকাল ৩১তম জয়টা তুলে নিলেন জোকো। ম্যাচ শেষে সে অনুভূতি জানাতে গিয়ে সার্বিয়ান কিংবদন্তি বলেছেন, ‘২০০৬ সালে আমি ভাবতেও পারিনি, প্রায় ২০ বছর পরেও আমরা একে অন্যের বিপক্ষে খেলব।’