১ ঘণ্টা পিঠ চুলকে মিলবে ১২ হাজার টাকা!

আজকাল বাজারে নানা কিছুর ভিড়ে পিঠ চুলকে দেওয়ার প্লাস্টিকের তৈরি হাতও কিনতে পাওয়া যায়। তবে মানুষের হাত দিয়ে পিঠ চুলকে দেওয়ার আরামই আলাদা। সেই আরামের সঙ্গে তুলনা চলে না কিছুরই। তাই অনেকে ভাই–বোন কিংবা বন্ধুবান্ধবের কাছেও পিঠ চুলকে দেওয়ার আবদার করেন।

বর্তমানে রাস্তার মোড়ে মোড়ে যেমন বিউটি পার্লার, স্যালোন কিংবা স্পা চোখে পড়ে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের ওয়েলনেস পরিষেবা পাওয়া যায়। সেই তালিকায় এখন জায়গা করে নিচ্ছে পিঠ চুলকে দেওয়ার সুবিধা! আমেরিকার মতো দেশে এই সুবিধা মিলছে।

আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে পিঠ চুলকে দেওয়ার লোকের চাহিদা বেড়ে গেছে। বিভিন্ন স্টুডিও ও স্পা সেন্টারে এ কাজের জন্য লোক নিয়োগ করা হচ্ছে। পিঠ চুলকে দেওয়ার এই কাজে রোজগারও নেহাত কম নয়। ঘণ্টায় ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করছেন অনেকেই, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ হাজার টাকা। এক ঘণ্টা ধরে গ্রাহকের পিঠ চুলকে দিলেই হাতে ১২ হাজার টাকা চলে আসছে।

ফেসিয়াল বা ম্যাসাজের মতো পিঠ চুলকানোর জন্যও আগে থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেন গ্রাহকেরা। তবে নখ বেশি ধারাল হলে চলবে না। গ্রাহকের গায়ে আঁচড় যেন না লাগে সে দিকে নজর থাকতে হবে। হালকা হাতে, নির্দিষ্ট তালে পিঠ চুলকে দিতে হয়। সেই সঙ্গে মাথায় বিলি কাটতেও হয়।

এক ঘণ্টা ধরে গ্রাহকের পিঠ চুলকে দিলেই হাতে মিলবে ১০০ ডলার। ছবি: এক্স থেকে নেওয়াগবেষণায় দেখা গেছে, গায়ে বা মাথায় হাত বুলিয়ে দিলে, মাথায় বিলি কাটলে কিংবা পিঠ চুলকে দিলে ত্বক ও মস্তিষ্কের মধ্যে একটি সংযোগ তৈরি হয়। এতে সেন্সরি নার্ভ সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং মস্তিষ্কে আরামের সংকেত পৌঁছে যায়। ফলে সুখি হওয়ার হরমোন নিঃসৃত হয়। এতে মন ভালো থাকে এবং শান্তির ঘুম হয়।

তথ্যসূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও এবিপি আনন্দ