প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন পেতংতার্ন

থাইল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। গতকাল রোববার থাই রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ন তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর শপথ নেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত শুক্রবার থাইল্যান্ডের পার্লামেন্টে ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন পেতংতার্ন। তিনি থাইল্যান্ডের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী এবং সিনাওয়াত্রা পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী হলেন। পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা বিতর্কিত সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী ও ধনকুবের থাকসিনের মেয়ে। এর আগে পেতংতার্নের ফুফুও দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

গত বুধবার থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে পদচ্যুত করেন। একই সঙ্গে মন্ত্রীসভাও ভেঙে দেওয়ার রায় দেন আদালত।

বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী স্রেথার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত একজন আইনজীবীকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। ফলে ‘নৈতিকতার নিয়ম লঙ্ঘনের’ অভিযোগ মাথায় নিয়ে তাঁকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এর দুদিন পর পেতংতার্নকে নতুন ও সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে দেশটির পার্লামেন্ট।

নির্বাচিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় পেতংতার্ন বলেছিলেন, স্বীকার করছি আমার অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে। তবে থাই নাগরিকদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে ও তাঁদের ক্ষমতাবান করার চ্যালেঞ্জ নিতে আমি তৈরি আছি।

পেতংতার্ন ২০২২ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এর আগে তিনি পারিবারিক হোটেল ব্যবসা দেখভাল করতেন। গত বছরের সাধারণ নির্বাচনে তিনি দলীয় কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।