নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ১ লাখ কোটি ডলারের খনিজ সম্পদ উত্তোলনে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে আফগানিস্তান। খনির অবকাঠামোসহ অন্যান্য খাতে বৃহত্তর মার্কিন বিনিয়োগ ওয়াশিংটনের সঙ্গে কাবুলের সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই প্রস্তাবের সঙ্গে ওয়াশিংটনকে জব্দ করা আফগান সম্পদ ফেরত দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে কাবুল। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পাঁচ বছর পর এ উদ্যোগ নিল দেশটি।
তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমীর খান মুত্তাকী জানান, আফগানিস্তানের খনি, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাত বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত।
বিগত ২০ বছরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট নয়, বরং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে মূল্যায়ন করতে চাচ্ছে তালেবান।
আফগানিস্তানের খনিজ সম্পদের মধ্যে রয়েছে তামা, লোহা, নিওবিয়াম, কোবাল্ট, সোনা ও লিথিয়াম। যার বেশিরভাগই কয়েক দশকের সংঘাতের কারণে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়ে গেছে।