যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট সংকটে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র চীন সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভূরাজনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এশিয়া গ্রুপ।
সংস্থাটি বলছে, জ্বালানি মজুদ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ব্যাপক বিনিয়োগ ও বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য প্রযুক্তি সরবরাহ ব্যবস্থায় শক্তিশালী অবস্থানে চীন শুধু সংকটের ধাক্কা সামলাতেই সক্ষম হয়নি, বরং অর্থনৈতিকভাবে লাভবানও হয়েছে। দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলগত জ্বালানি বাফার বা মজুদ গড়ে তুলেছে।
গ্লোবাল এনার্জি পলিসি সেন্টারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীনের দৈনিক অপরিশোধিত তেল আমদানি ১ কোটি ১১ লাখ ব্যারেল থেকে বেড়ে ১ কোটি ১৬ লাখ ব্যারেলে পৌঁছায়। অতিরিক্ত আমদানির ৮০ শতাংশের বেশি সরাসরি কৌশলগত মজুদ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, চীনের কাছে যে পরিমাণ তেল মজুদ ছিল, তা দিয়ে কোনো আমদানি ছাড়াই ১০৪ দিন চলবে।