হামাসের টানেল শুধু যোদ্ধাদের, সাধারণের জন্য নয় 

গাজার ভূগর্ভস্থ টানেলগুলো শুধু হামাস যোদ্ধাদের জন্য, সাধারণের জন্য নয়। বেসামরিকদের রক্ষা করা জাতিসংঘ ও ইসরায়েলের দায়িত্ব। রাশিয়া টুডে টিভির এক সাক্ষাত্কারে এসব কথা বলেন হামাস কর্মকর্তা মুসা আবু মারজুক। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীর কাছে টানেল থেকে যুদ্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

মুসা আবু মারজুক বলেন, ‘গাজার বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করা জাতিসংঘ এবং ইসরায়েলের দায়িত্ব। আমরা টানেল তৈরি করেছি নিজেদের নিহত ও লক্ষ্যবস্তু হওয়া থেকে বাঁচতে। এসব টানেল আমাদের বিমান হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য।’

হামাসের টানেলের বিষয়ে অবগত কয়েকটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, গাজায় বিভিন্ন ধরণের সুড়ঙ্গ রয়েছে। এগুলো হামলা, অস্ত্র মজুত ও চোরাচালানের  জন্য ব্যবহার করা হয়। ধারণা করা হয়, গাজায় যে টানেল নির্মাণ করা হয়েছে সেগুলো ভূপৃষ্ঠ থেকে অন্তত একশ ফুট গভীরে এবং এর প্রবেশপথগুলো সাধারণ ঘরবাড়ি, মসজিদ, স্কুল কিংবা এমন ভবনে যেখানে সাধারণ মানুষের সমাগম হয়। মূলত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সদস্যদের যেন চিহ্নিত করা না যায় সেজন্য এগুলো ব্যবহার করে তারা।

গাজা উপত্যকায় গত ২৩ দিন ধরে সংঘাত চলছে। গত ২৩ দিনে গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৩০৬ জন নিহত হয়েছে। গতকাল সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহতদের মধ্যে ৩ হাজার ৪৫৭টি শিশু আর ২ হাজার ১৩৬ জন নারী। এ ছাড়া বয়োবৃদ্ধ রয়েছেন ৪৮০ জন। পশ্চিম তীরে নিহত হয়েছেন ১১৯ ফিলিস্তিনি। ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক হামলার পর গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল।