গাজা থেকে শেষ জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনের গাজায় সবশেষ জিম্মি থাকা পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ ফেরত পেয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি বাহিনী সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তা রান গিভিলির মরদেহ ফিরিয়ে নিয়েছে ইসরায়েল। এর মাধ্যমে এক বেদনাদায়ক অধ্যায়ের অবসান ঘটল। 

২০২৩ সালের গত ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়। হামাস সেদিন ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায়। ওইদিনই গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েল।

পরবর্তীতে যুদ্ধ চলাকালে যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তির ধারাবাহিকতা, পাশাপাশি সামরিক উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে জিম্মিদের ফেরত দেওয়া শুরু হয়। ফেরানো শুরু হয় মরদেহও।

এএফপি বলছে, সবশেষ এই জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের ফলে গাজা ও মিশরের মধ্যকার প্রবেশদ্বার ‘রাফা ক্রসিং’ সীমিত পরিসরে পুনরায় খুলে দেওয়ার পথ সুগম হল বলে মনে করা হচ্ছে।

এরআগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সব জিম্মিকে উদ্ধার করা হলে ইসরায়েলি তল্লাশির শর্তে রাফা প্রবেশদ্বার পুনরায় চালু করা হবে।

জিভিলির কফিনটি সাইরেন বাজিয়ে ও ঝলমলে আলোসহ গাড়ির একটি বহরের মাধ্যমে বহন করা হয়। রাস্তার পাশে ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকরা পতাকা নেড়ে তাকে শেষ বিদায় জানান।

গাজার কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার বাবা ইৎজিক গিভিলি তাঁর ছেলের কফিনের পাশে ছিলেন। নেতানিয়াহু গিভিলিকে ‘ইসরাইলের একজন নায়ক’ হিসেবে প্রশংসা করেন।

হামাস জানিয়েছে, তারা গিভিলির মরদেহের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করেছে। সংগঠনের মুখপাত্র হাজেম কাসেম সোমবার বলেন, তার মরদেহ উদ্ধার হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্তের প্রতি হামাসের অঙ্গীকারেরই প্রমাণ।