সৌদির পর দুবাইয়ে মার্কিন দূতাবাসে হামলা

সৌদির পর আমিরাতের দুবাইয়ে মার্কিন দূতাবাসে হামলা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে এখনও আত্মরক্ষার নীতি অনুসরণ করবে আমিরাত। আকাশেই দুটি ক্রজ মিসাইল ও নয়টি ড্রোন প্রতিহতের দাবি সৌদি আরবের। এদিকে ইরানে ২ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা ও ১৭ জাহাজ ধ্বংসের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্য থেকে নয় হাজার মার্কিন নাগরিককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, মঙ্গলবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে মার্কিন দূতাবাসে দেখা যায় কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী। এর পরই রাস্তা বন্ধ, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবি জানান, পাকিং লটে হামলা হয়েছে। সব কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ শহরের একটি বন্দরেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব জানায়, ইরানের যেকোনো হামলা মোকাবিলা করা হবে। এ ছাড়া নিরাপত্তা ও নাগরিকদের সুরক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওমানের মাসকাটের পূর্বে একটি জাহাজের কাছে বিস্ফোরণ হয়েছে। কাতারের রাজধানী দোহার কাছেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। কাতার বলেছে, ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই প্রতিহত করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে। কুয়েতে অস্ত্রের টুকরা পড়ে ১১ বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব, জেরুজালেমে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান।

এদিকে ইরানেও হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধ শুরুর পর এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএর। এরমধ্যে শিশু ১৮১ জন। আহত হয়েছে অন্তত সাড়ে ৫ হাজার।