সৌদি আরব ও কাতারসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিয়ে ইরানে হামলা চালাতে চেয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। গতকাল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও ব্লুমুবার্গ।
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান যখন উপসাগরীয় দেশগুলো লক্ষ্য করে শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছিল, তখন আবুধাবি ছাড়াও পুরো অঞ্চলের বন্দর, বিমানবন্দর এবং আবাসিক এলাকাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এ সময় ইরানে যৌথ হামলা চালাতে আরব দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন অমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ। যার মধ্যে আছেন সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
এ প্রস্তাবে অন্য দেশগুলো রাজি না হওয়ায় আমিরাত তাদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে আমিরাতের বের হয়ে যাওয়া।
সূত্রের বরাতে ব্লুমবার্গ আরও জানিয়েছে, গত মার্চ মাসে সৌদি আরব ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছিল। কিন্তু এর পরপরই রিয়াদ তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে এবং পাকিস্তানের নেতৃত্বে শুরু হওয়া মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেন্দ্র রাস লাফানে ইরান হামলা চালানোর পর কাতারও পাল্টা আক্রমণের কথা ভেবেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দোহা কোনও সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।