যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করেছে ইরানের ডানপন্থীরা। শান্তি চুক্তির ইরানি শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সমালোচনা করেছে তারা।
এ সময় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যাকাণ্ডের জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করেছে বিক্ষোভকারীরা। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার প্রথম দিনেই আলী খামেনি নিহত হন। ৮৬ বছর বয়সী এই ধর্মগুরু ৩৬ বছর ধরে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বে ছিলেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে শঙ্কিত সাধারণ ইসরায়েলিরা। এ মুহূর্তে চুক্তিটি তেহরানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা তেল আবিবের।
তেহরান ও মাশহাদসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি ও সংসদ স্পিকার গালিবাফের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ছাড় দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। বিক্ষোভকারীরা 'মৃত্যু হোক আপোষকারীর' এবং 'আপোষকারী পদত্যাগ করো' স্লোগান দিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বলছেন রোববারের মধ্যেই একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হতে পারে, তবে তেহরান এখনো সুনির্দিষ্ট তারিখ নিশ্চিত করেনি।