ঐতিহাসিক সমঝোতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, ইসরায়েলকে ঘিরে বাড়ছে শঙ্কা

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রথম কোনো সমঝোতায় স্বাক্ষর করেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই বিশ্বজুড়ে চলছে এই সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা। তেহরানের সমর্থকদের কাছে এই চুক্তি শতাব্দীর সেরা চুক্তি আর প্রতিপক্ষের কাছে এটি শতাব্দীর অভিশাপ।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের সমালোচকদের সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। ট্রুথ স্যোশালে এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, যুদ্ধের ফলে ইরান নিঃশেষ হয়ে গেছে। বরং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে এটি এমন একটি সমঝোতা, যেখান থেকে আর ফিরে আসার কোনো পথ নেই। আবার কারও মতে এই সমঝোতা ইসরায়েলের জন্য মহাবিপর্যয়। তাদের শঙ্কা, ইসরায়েল এই পরিস্থিতি আরও ঘোলা করার চেষ্টাও করতে পারে।

এদিকে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভার্চুয়ালি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও, বাকি চূড়ান্ত ধাপের আলোচনা। সুইজারল্যান্ডে হতে যাওয়া, এই আলোচনার প্রথম পর্বে অংশ নেওয়ার কথা ছিল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের। তবে হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে এই আলোচনায় ভ্যান্স নন অংশ নেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।

এছাড়া, ইরান যুদ্ধের ব্যয় এবং যুদ্ধ-সংশ্লিষ্ট নয় এমন অন্যান্য খাতে ব্যয় মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রায় আট হাজার কোটি ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন দেশটির উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিফেন ফাইনবার্গ।